LOVE CONDOM: বিনা পয়সায় কন্ডোম পৌঁছে যাবে ঘরে ঘরে, দিতে হবে না ডেলিভারি চার্জও

দাদা, ক ক ক ক... (কন্ডোম) দেবেন? আঙুল দেখিয়েই বলে দেওয়া এটা (কন্ডোম) দিন! উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত, রোগ ব্যাধি নিয়েও সচেতন, অথচ ওষুধের দোকানে গিয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে, ভিড় একটু ফাঁকা হলেই ফিসফিস করে বলে দিতে হবে কন্ডোম চাই। কন্ডোম কিনতে গিয়ে 'লজ্জায় লজ্জাবতী'ও হয়ে যেতে হয় অনেককে! আম জনতার 'বিস্ফোরিত চোখ' আর ঠোঁটের কোণে বাকা হাসি এড়াতে অনেকেই কন্ডোম কেনার লজ্জা নিবারণ না করে কন্ডোম না কিনে ঝুঁকিতেই পা বাড়িয়ে ফেলেন। অসুরক্ষিত যৌনতা, তারপরই বিপদ! এবার সব সমস্যার সমাধান। খালি অর্ডারটুকুই যা করতে হবে। বাড়িতে এসে কন্ডোম দিয়ে যাবে, একটা পয়সাও নেবে না, ভারতে প্রথম শুরু হল 'ফ্রি কন্ডোম স্টোর'। শুধু ভারতই নয়, গোটা বিশ্বে এটাই প্রথম 'ফ্রি কন্ডোম স্টোর'। 

বিরাটের দাড়ি না কাটার কারণ এটাই

'বিরাট কোহলি', এই নাম সেই তারার যে তারা দিনের আলোতেও জ্বল জ্বল করে। বিরাট কোহলি, এই মুহূর্তের সেই নক্ষত্র যিনি পূর্ণিমার আলোকেও লজ্জা দিতে পারেন। বিরাটই তো সেই 'রিপ্লেসমেন্ট', যিনি 'সচিন সচিন'-এর বদলে আম জনতার মুখে বসিয়েছেন 'বিরাট বিরাট কলরব'। বিরাট কোহলিই তো সেই ক্রিকেটার যার জন্য কলকাতার ইডেন ম্যাক্সিকান ওয়েভ থামিয়ে দিয়ে বলে, 'আসুন দাদার পাড়ায় দাদাগিরিটা আপনিই দেখিয়ে যান'। বিরাটই তো সেই, যার প্রতিটা সেঞ্চুরিতেই সেলিব্রেশন। বিরাটই তো সেই, যিনি রান না করে আউট হলে কান্নায় ভেঙে পরে লাখো লাখো চোখ। যেভাবে এগোচ্ছেন বিরাট, তাতে এভারেস্ট না মাথা নুইয়ে দেয়! এক কথায় তিনি সেনসেশন। স্টাইল আইকন। আর স্টাইল নিয়ে যখন কথা এসেই গেল তাহলে বিরাটের 'বিয়ার্ড লুক' নিয়ে আলোচনা না করলেই নয়। একগাল দাড়ি নিয়ে কত হৃদয় যে হরণ করেছেন বিরাট, তা গুনে শেষ করা যাবে না। 'বিয়ার্ড লুক'-এর বিরাট নারী মহলে এখন সেই অদম্য ইচ্ছার এক 'ছবি'। অবশ্য বিরাট নিজেও বিয়ার্ড লুক বেশ পছন্দ করেন। তবে কী কেবল নিজের পছন্দেই বিরাটের গালে শোভা পাচ্ছে দাড়ি, নাকি আছে অন্য কোনও গল্প? হ্যাঁ, গল্প একটা আছে বটে। নিজের জন্য নয়, একজনের ইচ্ছেতেই দাড়ি কাটছেন না বিরাট। তিনি অনুষ্কা শর্মা, যার কথায় নিজের দাড়িতে হাত তো দেন অথচ কাঁচি ছোঁয়ান না বিরাট। 

'ইসলামিক নাম'-এ ভূমিষ্ঠ শিশুর নাম রাখা যাবে না, নিষেধাজ্ঞা জারি করল কমিউনিস্ট চিন

কমিউনিস্ট চিনের নয়া ফতোয়া, এখন থেকে 'ইসলামিক নাম'-এ কোনও ভূমিষ্ঠ শিশুর নাম রাখা যাবে না। চিনের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জিনজিয়াং প্রদেশে এই ফতোয়াই জারি করেছে দেশের কমিউনিস্ট সরকার। 'দাড়ি রাখা যাবে না', 'বোরখা পরা যাবে না', এখন থেকে নিজের শিশুর নামও নিজের পছন্দ মত রাখতে পারবে না ভূমিষ্ঠ শিশুর মা-বাবা কিংবাঅভিভাবকরা। চিনের কমিউনিস্ট  সরকারের দাবি দেশে বেড়ে চলা 'মুসলিম উগ্রপন্থা'কে রুখতেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তবে সমাজকর্মীরা বলছেন, চিনের কমিউনিস্ট প্রশাসন এই ফতোয়া জারি করে নাগরিকের মৌলিক অধিকারেই হস্তক্ষেপ করছে। চিনের মানবাধিকার কর্মীদের অভিযোগ, "এই নীতি ভীষণ ভয়ংকর এবং স্পষ্টভাবে এটা 'ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মতপ্রকাশের আন্তর্জাতিক অধিকার'কে উল্লঙ্ঘন করছে"। চিনের মানবাধিকার কমিশনের ডিরেক্টর সোফি রিচার্ডসনের মত, "উগ্রপন্থার নামে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে খর্ব করার চেষ্টা করা হচ্ছে"। চিনের 'নাম ফতোয়া'র নীতিকে কার্যত কটাক্ষ করেই রিচার্ডসন আরও বলেন, এটি একটি "অবাস্তব নিষেধাজ্ঞা"। 

'টাকা ছাড়া মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট দিচ্ছে না কেএমসি', সাংসদ অভিষেকের কাছে সাহায্য চেয়ে টুইট

এক টুইটেই মিলছে সাহায্য! সাংসদের কাছে পৌঁছতে হাজার কসরত করেও কোনও সদুত্তর পাওয়া যায় না! একের পর এক দিন কেটে যায়, কেবল নিরাপত্তার বেষ্টনীতেই আম আদমিদের থেকে হাজার মাইল দূরে থেকে যেতে হয় আম জনতাকে। একে চিঠি লেখা, তার কাছে যাওয়া, এই করেই দিনের পর দিন দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে সময় কাটে, সাহায্য তো দূর, সাংসদের সঙ্গে দেখাই হয় না সাধারণের। 'প্রটোকলের কল' ভেঙে সাহায্যের আর্জি জানাতে বঙ্গ পাবলিক এবার টুইটারের দ্বারস্থ। ফলও মিলেছে হাতে নাতে। সাহায্যের আর্জি জানিয়ে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদকে টুইট করেছেন রাজদ্বীপ, পাল্টা সাহায্যের হাতও বাড়িয়ে দিলেন তৃণমূল যুবনেতা। 'টাকা ছাড়া মায়ের ডেথ সার্টিফিকেট দিচ্ছে না কেএমসি, আপনার সাহায্য চাই', সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে টুইট করেছিলেন কলকাতার আইটি কর্মী রাজদ্বীপ। পাল্টা টুইটে অভিষেক জানিয়ে দিলেন, "অনুগ্রহপূর্বক আপনার যোগাযোগের মাধ্যম আমাকে দিন। আমার অফিস থেকে আপনাকে যোগাযোগ করা হবে এবং যথা সম্ভব সাহায্যের চেষ্টা করা হবে"।