সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে বিক্ষোভ চিটফান্ডের প্রতারিত আমানতকারীদের

সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে বিক্ষোভ চিটফান্ডের প্রতারিত আমানতকারীদের

সারদাসহ সব অন্যান্য সমস্ত চিটফান্ড সংস্থার প্রতারণার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। এই দাবিতে আজ সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে বিক্ষোভ দেখান চিটফান্ডের প্রতারিত আমানতকারীরা। এদিন হাডকো মোড় থেকে প্রায় হাজার দেড়েক আমানতকারী মিছিল করে যান সিজিও কমপ্লেক্সের সামনে। আমানতকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছে বাম গণ সংগঠন, সিপিএমও। পাশে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন বাম ট্রেড ইউনিয়নও। বিক্ষোভে হাজির ছিলেন অনাদি সাহু ও সুজন চক্রবর্তী। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে থেকে দুটি প্রতিনিধি দল দেখা করেছেন সিবিআই ও ইডি আধিকারিকদের সঙ্গে। সেখানে চিটফান্ডকাণ্ডের তদন্ত দ্রুত শেষ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

জুতো বিলি কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট জুতো বিলি কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট

মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছাপূরণে পুর বিদ্যালয়ে জুতো বিলি। তবে কলকাতা পুরসভার কর্মসূচির শুরুতেই হোঁচট। নতুন জুতো পেয়েও মনমরা পড়ুয়ারা। কারও জুতো মাপে ছোট , তো কারও বেশ বড়!  তাড়াহুড়োর জুতো বিলিতেই কি এই বিভ্রাট? উঠছে প্রশ্ন। প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই ইচ্ছা পূরণেই উদ্যোগী কলকাতা পুরসভাও। কলকাতার পুরসভার স্কুলগুলিতে পড়ুয়াদের ড্রেস-বইয়ের সঙ্গে এবার দেওয়া হল জুতোও।  প্রথম দিন একশ সাতাশ জনকে জুতো দেওয়া হল। জুতো দেওয়া হবে দুশো একাত্তরটি পুর বিদ্যালয়ের সব ছাত্রছাত্রীকে।

এলাকা কাদের আওতায়? পুলিসের গড়িমসিতে ডাকাতি করে চম্পট দিল  দুষ্কৃতী দল এলাকা কাদের আওতায়? পুলিসের গড়িমসিতে ডাকাতি করে চম্পট দিল দুষ্কৃতী দল

মঙ্গলবার ভর সন্ধেয় নাকতলায় ডাকাতি। ১০০ নম্বরে ডায়াল করে পুলিস কন্ট্রোলকে সতর্ক করেন আক্রান্তরা। এরপরই কন্ট্রোল সতর্ক করে বাঁশদ্রোণী, রিজেন্ট পার্ক ও নেতাজিনগর থানাকে। তবু চম্পট দিল দুষ্কৃতী দল। কারণ ডাকাতির এলাকা কাদের আওতায়, এনিয়ে চাপান উতোরে ব্যস্ত ছিল তিন থানা। এদিন নাকতলা শিবমন্দিরের কাছে রণবীর সিনহা নামে এক ডাক্তারের বাড়িতে হানা দেয়  বাইকে চেপে আসা চার দুষ্কৃতী।  ডাক্তার সিনহার বাড়ির নীচের তলায় থাকেন তাঁর শ্বশুর ও শাশুড়ি। একতলায় ঢুকেই লুঠপাট করতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। ডাকাতির পর ডাক্তার সিনহা ও তাঁর শ্বশুর, শাশুড়িকে বাথরুমে আটকে রেখে, তালা দিয়ে চম্পট দেয় তারা। ডাকাতি চলাকালীনই পুলিসের সাহায্য চেয়ে ১০০ ডায়াল করেন এক প্রতিবেশী। কেন তিন থানাকে সতর্ক করা সত্ত্বেও গ্রেফতার করা গেল না দুষ্কৃতীদের, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। যদিও  জয়েন্ট সিপি ক্রাইম জানিয়েছেন ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার পরেই ফোন এসেছিল।