পুলিসের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চায় অভিষেকের পরিবার

Update: June 9, 2012 18:02 IST

জোর করে মুচলেকা লিখিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আগে থেকেই ছিল। এবার পুলিসের বিরুদ্ধে সরাসরি ব্ল্যাকমেলের অভিযোগ তুলল অভিষেক পালের পরিবার। বুধবার পুলিসে নিয়োগের পরীক্ষা দিতে গিয়ে প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে মারা যান উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরের বাসিন্দা অভিষেক পাল। তাঁর পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, পুলিস বোঝানোর নাম করে শুরু থেকেই তাঁদের হুমকি দিচ্ছে। একই সঙ্গে পুলিসের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

অভিষেকের পরিবারের দাবি, নিজেদের গাফিলতি ঢাকতে পুলিস তাঁদের ময়নাতদন্ত এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল। পরিবারের আরও অভিযোগ, পুলিস প্রথমে বলেছিল অভিষেকের বোনকে পরীক্ষা দিতে হবে না। তাঁকে ক্লারিক্যাল পোস্টে নেওয়া হবে। কিন্তু এখন পুলিস বলছে কনস্টেবল পদে নিয়োগ করা হবে। একইসঙ্গে দৌড়ে কৃতকার্য হওয়ার শর্তও রাখছে তারা। ক্ষুব্ধ পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা করছেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।