হাবড়াকাণ্ডে কমিশনকে রিপোর্ট দিলেন জেলাশাসক

হাবড়াকাণ্ডে আজ কমিশনকে রিপোর্ট দিলেন জেলাশাসক। সেই সঙ্গে হাবড়ার পুলিস সুপার ও বিডিওর কাছে পাল্টা রিপোর্ট তলব করলেন জেলাশাসক সঞ্জয় বনসল। বিডিওকে হুমকি এবং মারধরে অভিযোগ ওঠে তৃণমূল বিধায়ক ধীমান রায়ের বিরুদ্ধে।

Updated By: Mar 31, 2014, 12:04 PM IST

হাবড়াকাণ্ডে আজ কমিশনকে রিপোর্ট দিলেন জেলাশাসক। সেই সঙ্গে হাবড়ার পুলিস সুপার ও বিডিওর কাছে পাল্টা রিপোর্ট তলব করলেন জেলাশাসক সঞ্জয় বনসল। বিডিওকে হুমকি এবং মারধরে অভিযোগ ওঠে তৃণমূল বিধায়ক ধীমান রায়ের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত অশোকনগরের তৃণমূল বিধছেন বলেও অভিযোগ। কমিশনের নির্দেশ মেনে রাজনৈতিক দলের পোস্টার খোলার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিডিও। সেই নির্দেশ পালন করতে গিয়ে বিধায়কের হুমকির মুখে পড়েন পুর আধিকারিক। অশোকনগর থানায় এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন হাবড়া দুই ব্লকের বিডিও দীনবন্ধু গাইন।

প্রসঙ্গত, বিডিওকে হুমকি এবং মারধরে অভিযুক্ত হয়েছেন হাবড়ার তৃণমূল বিধায়ক ধীমান রায়। এক পুর আধিকারিককে বিধায়ক খুনের হুমকি দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে বেশ কেকজন তৃণমূল কর্মী গ্রেফতার হন। যদিও গতকালই জামিনে ছাড়া পান সকলেই।

রাজনৈতিক দলের ফেস্টুন, ব্যানার, হোর্ডিং খুলে ফেলতে হবে। নির্বাচন কমিশনের এই সাদামাটা নির্দেশটাই পালন করতে গিয়েছিলেন হাবড়ার দুই ব্লকের বিডিও দীনবন্ধু গাইন। এতেই এলাকার বিধায়ক ধীমান রায়ের রোষে পড়েন তিনি। দলের ব্যানার, পোস্টার খোলা যাবে না এই দাবিতে বিডিও অফিসে চড়াও হন তৃণমূল কর্মী,সমর্থকরা।

এখানেই শেষ নয়। তৃণমূল বিধায়ক ধীমান রায় রীতিমতো হুমকি দেন বিডিও দীনবন্ধু গাইনকে। সংশ্লিষ্ট পুর আধিকারিক যিনি পোস্টার, ফেস্টুন খোলার কাজ করেছিলেন তাকেও রেয়াত করেননি হাবড়ার তৃণমূল বিধায়ক। সংশ্লিষ্ট পুর আধিকারিকের মাথা ও পা কেটে নেওয়ার হমকি দেন বিধায়ক ধীমান রায়।

সরকারি কাজে বাধা ও বিডিওকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে অশোকনগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। তার ভিত্তিতে দশ জন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিস। তাদের আজ বারাসত আদালতে তোলা হয়। কিন্তু দুহাজার টাকার বিনিময়ে জামিন পেয়ে যান তাঁরা।

.