কান্না আর শুধুই হতাশা

আগুনে কেউ সর্বস্ব খুইয়েছেন। কেউ হারিয়েছেন স্বজন। কাউকে কাউকে সইতে হচ্ছে দুইয়েরই যন্ত্রণা। বুধবার সূর্য সেন স্ট্রিট মার্কেটের পোড়া গন্ধের সঙ্গেই এক হয়ে মিশে গেল তাঁদের হাহুতাশ, কান্না আর যন্ত্রণা। তিল তিল করে গড়ে তোলা ব্যবসা একরাতেই জ্বলে পুড়ে ছাই।  

Updated: Feb 27, 2013, 08:30 PM IST

আগুনে কেউ সর্বস্ব খুইয়েছেন। কেউ হারিয়েছেন স্বজন। কাউকে কাউকে সইতে হচ্ছে দুইয়েরই যন্ত্রণা। বুধবার সূর্য সেন স্ট্রিট মার্কেটের পোড়া গন্ধের সঙ্গেই এক হয়ে মিশে গেল তাঁদের হাহুতাশ, কান্না আর যন্ত্রণা। তিল তিল করে গড়ে তোলা ব্যবসা একরাতেই জ্বলে পুড়ে ছাই।
 
রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। মার্কেটের ভিতর বিয়ের সরঞ্জাম বিক্রির দোকান ছিল রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। আগুন কেড়ে নিয়েছে তাঁর সবকিছু। কথা বলার সময়ও তাঁর গলা জড়িয়ে আসছিল। দুশ্চিন্তা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে খড়দার রবীন্দ্রনাথ বাবুকে। তিনি জানান, ভোর পাঁচটায় ফোন আসে, আগুন লেগেছে সূর্য সেন মার্কেটে। তারপর তিনি যখন পৌঁছন ঘটনাস্থলে, তখন সব শেষ। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, "গলায় দড়ি দেওয়া ছাড়া উপায় নেই।"
 
চোখের জল বাঁধ মানছে না বাবার। চার ছেলে মার্কেটের ভিতর একটি খাবারের দোকান চালাত। অন্য দিনের মতো মঙ্গলবার রাতেও দোকানের ভিতরেই শুয়েছিল তিনজন। দু`জন কোনও ক্রমে বাঁচলেও, আগুন রেহাই দেয়নি মেজো ছেলে আজিজুলকে। যেমন রেহাই পাননি জ্যোত্‍স্না সাহা। অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের তালিকায় একমাত্র মহিলা। স্বজন হারানোর গভীর ক্ষত তো রয়েছেই। সেইসঙ্গে ক্ষোভ বাড়ছে প্রশাসনের প্রতি। বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। ক্যামেরার সামনে ক্ষোভ আটকে রাখেননি স্থানীয়রা।
দেখুন ভিডিও: স্বজন হারানোর যন্ত্রনা