মুখ্যমন্ত্রীর `বিশেষ` ক্ষতিপূরণের দাবি নস্যাৎ পুলিসমহলের

Update: February 16, 2013 09:53 IST

মুখ্যমন্ত্রীর গার্ডেনরিচে নিহত এসআই তাপস চৌধুরীর পরিবারের জন্য একাধিক ক্ষতিপূরণের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাপসবাবুর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর মুখ্যমন্ত্রী গতকাল জানান, নিহত এসআইয়ের স্ত্রী মিনতি দেবীর জন্য বিশেষ পেনশনের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। কিন্তু পুলিসমহলের বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রী যেসব সাহায্য ঘোষণা করেছেন, তা এমনিতেই নিহত অফিসারের পরিবারের প্রাপ্য। সেখানে বাড়তি কিছুই নেই।

কিন্তু পুলিসসূত্র বলছে, এটা কোনও বিশেষ ব্যবস্থাই নয়। ১৯৮৪ সালে কর্তব্যরত অবস্থায় খুন হন ডিসি বন্দর বিনোদ মেহতা। তাঁর স্ত্রীকেও বিনোদ মেহতার পুরো বেতনই দেওয়া হোত।

পুলিসমহলের বক্তব্য, তাদের রুলবুকেই এই ব্যবস্থা করা আছে। সেখানে বলা আছে, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও পুলিসকর্মীর মৃত্যু হলে, তাঁর পরিবারের যে কোনও একজন সদস্য পুলিসবাহিনীতে চাকরি পাবেন।

পুলিসের বক্তব্য, সরকার নয়, বিমার টাকা দেবে জীবনবিমা সংস্থা। পুলিসের চাকরিতেই এই সুবিধা দেওয়া আছে। সেইমতো এসআই তাপস চৌধুরীও ওই বিমার  প্রিমিয়াম দিতেন।

পুলিসের বক্তব্য, কর্তব্যরত অবস্থায় তাদের কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে, নিহতের পরিবারের জন্য যেসব সুবিধার কথা বলা আছে, সরকারের অতিরিক্ত সাহায্য তারই একটা অঙ্গ।

পুলিসের বক্তব্য, এধরনের ঘটনায় এমনটা হয়েই থাকে।

তাপস চৌধুরীর পরিবারকে ইতিমধ্যেই কলকাতা পুলিসের তরফে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে

স্পেশাল ব্রাঞ্চের অফিসাররা তাঁদের একদিনের বেতনের টাকা তাপসবাবুর পরিবারকে সাহায্য হিসেবে দিচ্ছেন। সেই অঙ্কটা প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা।

অর্থাত্, মুখ্যমন্ত্রী সাহায্যের যে সব কথা ঢাক পিটিয়ে বলেছেন, পুলিসের দাবি অনুযায়ী, তাতে বিশেষ সুবিধা বলতে কিছুই নেই। অফিসারদের একাংশ এর সঙ্গে আরও একটা বিষয় মনে করিয়ে দিয়েছেন। তা হল, রাজ্যে আগে যেসব পুলিসকর্মীর কর্তব্যরত অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের পরিবারের অনেকের ভাগ্যে এখনও চাকরি জোটেনি। পুলিসে চাকরির জন্য মাসের পর মাস মহাকরণ আর লালবাজার হত্যে দিতে হচ্ছে তাঁদের।
 

 
 
 

Post Your Comment

Total Comments:9

OUR MURKHA MANTRI LOOKING LIKE DYNI IN THIS PICTURE They always commit as Dyni.

nandigram,singur chotoanaria,jhargram e par ekjon CPM HARMED GRAPTER TO HAI NI BARAN SURJODAI GHATIA CHE R TAR SANGE 24 GHANTA KI TADER MOTHER CHALLEN ZEE NEWS ER 2 SANBADIK KE CHARA TE PERECHE?

MAMATA HAS CROSSED ALL LIMIT OF TELLING LIES.

we have seen enough of PARIBARTAN. Now we want to see PRATYABARTAN, which may come earlier than we expect.

MAMATAR MONTRI SOVAA EKJON PRAKTON CBI OFFICER AACHEN JINI BAHU DURNITI DHORECHEN. MAMATAR AISOB BEAAINI KAJ EKHUN KIKORE SOMMOTI DICHHIN? NA ABOSAR NEBAR POR MERUDANDOTA MAMATER KACHE BADHA REKHEN?

CHABBISGHANTA TOMADER SELAM,``MAMATA``r JEKONO SANGBADER SONGE JE CHOBI DEN-EKDAM ``MADE FOR EACH OTHER`` CHALIAJAN BANGOBASI SATHE AACHE.

SARA VARATBORSE JODI PANCHJON MITHYABADI LOKER NAM LIKTE HOI TAHOLE PROTHOM NAM HOBE MAMATA BANERJEER.

W.B er C.M er MITHA PROTISROTI DITAY DITAY OVAS HOA GAY CHAY.O AKHOON CAP PORAY K.P.er daal a DHOOK tay chai chay THAAS KORAY DEWA WOCHIT

W.B er C.M er MITHA PROTISROTI DITAY DITAY OVAS HOA GAY CHAY.O AKHOON CAP PORAY K.P.er daal a DHOOK tay chai chay THAAS KORAY DEWA WOCHIT

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।