টু-জি নোট বিতর্ক: পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ চিদম্বরমের, সোনিয়া-প্রণব বৈঠক

টু-জি স্পেকট্রাম দুর্নীতি নিয়ে অর্থমন্ত্রকের নোট, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। হাইকম্যান্ডের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন পালানিয়াপ্পন চিদম্বরম। তা সম্ভবত ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখের পড়েই।

Updated: Sep 27, 2011, 06:01 PM IST

টু-জি স্পেকট্রাম দুর্নীতি নিয়ে অর্থমন্ত্রকের নোট, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করল। হাইকম্যান্ডের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ
থেকে ইস্তফার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন পালানিয়াপ্পন চিদম্বরম। তা সম্ভবত ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখের পড়েই।
দশ জনপথে সোনিয়া গান্ধীর বাসভবনে সোমবার সন্ধেয় পরপর দুটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বসে। প্রথমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম। সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন দলের শীর্ষ নেত্রীর সঙ্গে ।
সেখানেই সম্ভবত মন্ত্রীত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চান তিনি। বিশেষ সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরা পর্যন্ত চিদম্বরমকে অপেক্ষা করতে বলেছেন সোনিয়া গান্ধী। আগামিকাল
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর দেশে ফেরার কথা।
চিদম্বরমের পর ১০ জনপথে পৌঁছন মনমোহন সিং-এর মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়। যাঁর মন্ত্রকের পাঠানো নোটকে ঘিরেই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত।
১০ জনপথে প্রণববাবু প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে বৈঠক করেন সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে। যদিও আলোচনা শেষে দু-তরফ থেকেই কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গত ২৫ মার্চ অর্থ মন্ত্রকের তরফে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পাঠানো একটি নোট পাঠানো হয়। এই নোটে ২০০৮ সালের স্পেকট্রাম বণ্টনে অনিয়মের জন্য তত্‍কালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে
দায়ী করা হয়েছিল।
তথ্যের অধিকার আইনে নোটটি প্রকাশ্যে আসার পরই চিদম্বরমের ইস্তফার দাবিতে সরব হয় বিরোধীরা। পরিস্থিতি সামলাতে ওয়াশিংটনে `ব্রিক`-এর বৈঠক শেষে
নিউইয়র্কে গিয়ে রবিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন প্রণববাবু। যদিও মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে বিদেশের মাটিতে অভ্যন্তরীণ সমস্যা সংক্রান্ত বৈঠকের বিষয়বস্তু সম্পর্কে কোনও মন্তব্য
করতে চাননি অর্থমন্ত্রী। চিদম্বরমকে `মূল্যবান সহকর্মী` হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি। সেই সঙ্গে জানান, দেশে ফিরে দলীয় শীর্ষনেতৃত্ব এবং সলমন খুরশিদের মতো ক্যাবিনেট-সঙ্গীদের সঙ্গে
আলোচনার পরই এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানাবেন।