মুন্নাভাইয়ের পাশে বলিউড, উঠছে প্রশ্ন

Last Updated: Friday, May 17, 2013 - 09:01

শেষ পর্যন্ত জেলেই গেলেন সঞ্জয় দত্ত। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ মুম্বইয়ের বিশেষ টাডা আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। ছয় ঘণ্টা আদালতে জেরা করার পর রাতে নিয়ে যাওয়া হয় আর্থার রোড জেলে। গোটা দিনই তাঁর পাশে ছিলেন বলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে পরিচালক-প্রযোজকরা। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, অস্ত্র আইনে দোষী সাব্যস্ত এক অপরাধীর পাশে কেন দাঁড়াল গোটা বলিউড?
রূপোলি পর্দায় অনেকবার জেলে গিয়েছেন। কিন্তু এটা বলিউডের ছবির চিত্রনাট্য নয়। একেবারে নির্ভেজাল বাস্তব। দ্বিতীয় বারের জন্য গরাদের ওপারে মুন্নাভাই।
গত এক সপ্তাহ ধরে হয়ত এই দিনটিকে কল্পনাতেও আনতে চাইছিলেন না সঞ্জয় দত্ত। কিন্তু আত্মসমর্পণের সময়সীমা পিছোনো শেষ আবেদনও সুপ্রিম কোর্টে খারিজ হওয়ায়, চলছিল মানসিকভাবে প্রস্তুতিও। 
স্ত্রী, বোন এবং পরিচালক-প্রযোজক মহেশ ভাটকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির বাইরে আসেন মুন্নাভাই। 
নিজের গাড়িতেই আদালতের পথে সঞ্জয় দত্ত। আদালত চত্ত্বরে পৌঁছনোর পর ভিড়ের চাপে মিনিট কুড়ি গাড়ি থেকে নামতেই পারেননি মুন্নাভাই।  
পরে, নায়কের ঢঙেই শান্ত করলেন অস্থির জনতাকে। ভিড় কিছুটা সরে গেল পিছনে। মুন্নাভাই চলে গেলেন আদালতের ভিতরে। শেষ হল আত্মসমর্পণ পর্ব।  
জেলে বাড়ির খাবার, ওষুধ এবং শরীরচর্চার অনুমতি চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানান মুন্নাভাই। সম্মতি মিলল বিচারকের।  বাড়ির খাবার, ওষুধ তো পাবেনই। জেলের সেলে পাখাও পাবেন। 
মুন্নাভাইকে নিয়ে যাওয়া হয় আর্থার রোড জেলে। 
উনিশশো তিরানব্বইয়ে মুম্বই বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় বেআইনি অস্ত্র রাখার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন সঞ্জয় দত্ত। আদালত তাঁর পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। বিচার চলাকালীন দেড় বছর জেলে থাকায় এখনও সাড়ে তিন বছর গরাদের ওপারে থাকতে হবে মুন্নাভাইকে। কিন্তু হলেনই বা একজন নায়ক। আইনের বিচারে তো অপরাধী প্রমাণিত সঞ্জয় দত্ত। তাহলে একজন অপরাধীর পাশে কেন গোটা বলিউড?  দেশজুড়ে অস্বস্তি জিইয়ে রাখল এই প্রশ্ন।
 



First Published: Friday, May 17, 2013 - 09:01


comments powered by Disqus