এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিমুখী সুড়ঙ্গপথ নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রের

প্রায় ৪ ঘণ্টা লাগে শ্রীনগর থেকে লেহ পৌঁছতে। সেই পথ পেরোতে ১৫ মিনিট সময় লাগবে। 

Updated: Jan 3, 2018, 11:07 PM IST
এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিমুখী সুড়ঙ্গপথ নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রের

নিজস্ব প্রতিবেদন: এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিমুখী জোজিলা সুড়ঙ্গপথ নির্মাণে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। খরচ পড়বে প্রায় ৬,০৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে শ্রীনগর থেকে লেহ যেতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। এখন লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

শীতকালে বরফ পড়ায় লেহ ও শ্রীনগর সড়কপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যাতায়াতের সুবিধার জন্য জম্মু-কাশ্মীরে ১৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ নির্মাণে অনুমোদন দিল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আর্থিক বিষয় সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। 

কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি বলেন, ''জোজিলা সুড়ঙ্গই হতে চলেছে এশিয়ার দ্বিমুখী সুড়ঙ্গপথ। ৭ বছরে নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হবে।  ওই এলাকায় কখনও কখনও তাপমাত্রা শূন্যের নীচে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। এই ধরনের ভৌগলিক এলাকায় সুড়ঙ্গপথ তৈরি করা বেশ শক্ত।'' গডকড়ি আরও বলেন, ''চলতি বছরেই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শীতকালে সেনাঘাঁটিতে রসদ পৌঁছতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে কার্গিলে সহজেই পৌঁছে যাবে সেনা।''

আরও পড়ুন- ইজরায়েলের কাছ থেকে যুদ্ধাস্ত্র কেনার চুক্তি বাতিল করল ভারত

কূটনৈতিক মহলের মতে, সুড়ঙ্গপথ তৈরি আসলে কৌশলগত সিদ্ধান্ত। শীতকালেও যাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় সহজে সেনা পৌঁছে যায় তার ব্যবস্থাই করলেন নরেন্দ্র মোদী।  

নিজস্ব প্রতিবেদন: এশিয়ার দীর্ঘতম দ্বিমুখী জোজিলা সুড়ঙ্গপথ নির্মাণে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। খরচ পড়বে প্রায় ৬,০৮৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে শ্রীনগর থেকে লেহ যেতে সময় লাগবে মাত্র ১৫ মিনিট। এখন লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

শীতকালে বরফ পড়ায় লেহ ও শ্রীনগর সড়কপথে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। যাতায়াতের সুবিধার জন্য জম্মু-কাশ্মীরে ১৪.২ কিলোমিটার দীর্ঘ সুড়ঙ্গ নির্মাণে অনুমোদন দিল প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন আর্থিক বিষয় সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। 

কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ি বলেন, ''জোজিলা সুড়ঙ্গই হতে চলেছে এশিয়ার দ্বিমুখী সুড়ঙ্গপথ। ৭ বছরে নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হবে।  ওই এলাকায় কখনও কখনও তাপমাত্রা শূন্যের নীচে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যায়। এই ধরনের ভৌগলিক এলাকায় সুড়ঙ্গপথ তৈরি করা বেশ শক্ত।'' গডকড়ি আরও বলেন, ''চলতি বছরেই প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শীতকালে সেনাঘাঁটিতে রসদ পৌঁছতে সমস্যা হয়। বিশেষ করে কার্গিলে সহজেই পৌঁছে যাবে সেনা।''

কূটনৈতিক মহলের মতে, সুড়ঙ্গপথ তৈরি আসলে কৌশলগত সিদ্ধান্ত। শীতকালেও যাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় সহজে সেনা পৌঁছে যায় তার ব্যবস্থাই করলেন নরেন্দ্র মোদী।