কমল পেট্রোলের দাম, কেন্দ্রকে তোপ মমতার

Update: June 28, 2012 21:29 IST

পেট্রোলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের ইস্যুতে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবারই রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি দ্বিতীয় দফায় পেট্রোলের দাম কমিয়েছে লিটারপ্রতি ২ টাকা ৪৬ পয়সা। এই ইস্যুতেই কেন্দ্রকে বিঁধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিকে তাকিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মিটে গেলেই ফের তেলের দাম বাড়াবে কেন্দ্র। রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেট্রোলের বর্ধিত মূল্য সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানালেও তাতে কান দেয়নি কেন্দ্র। সম্ভবত সেই কারণেই আজ ফের পেট্রোলের দাম নিয়ে কেন্দ্রকে বিঁধলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কার্যত এই ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের রাস্তাতেই হাঁটার ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকেই কমছে পেট্রোলের দাম। আন্তজার্তিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কমার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। গত মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি এক ধাক্কায় পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ৭ টাকা ৫০ পয়সা বাড়িয়েছিল। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন  রাজ্যে তুমুল বিক্ষোভ, প্রতিবাদ আন্দোলন হয়। সরব হয় বিরোধীরা। তারই জেরে এর আগে এক দফা লিটারপ্রতি ২ টাকা দাম কমানো হয়। এবার কমানো হল ২ টাকা ৪৬ পয়সা। এর ফলে,

কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ৭৫ টাকা ৮১ পয়সা থেকে কমে হচ্ছে ৭২ টাকা ৭৪ পয়সা
দিল্লিতে ৭০ টাকা ২৪ পয়সা থেকে দাম কমে হচ্ছে ৬৭ টাকা ৭৮ পয়সা
মুম্বইয়ে দাম ৭৬ টাকা ৪৫ পয়সা থেকে কমে হচ্ছে ৭৩ টাকা ৩৫ পয়সা
চেন্নাইয়ে ৭৫ টাকা ৪০ পয়সা থেকে দাম কমে হচ্ছে ৭২ টাকা ২৭ পয়সা





Post Your Comment

Total Comments:3

petrol dam komanor janno dhanno bad.

Didi apni onner samalochana na kore petro ponner upor rajjer neoa sob tax prottahar korenin.... Tahole bangla manush bujbe apni sudhu tmc noi jonogoner netri..... Nahole banglar manush k kintu apni sikhiye diyechhen govt poriborton korate & sasok dol k astakure chhure fele dite....

I like 24 ghanta news

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।