মুখ্যমন্ত্রী `একনায়ক`, `অসহিষ্ণু`: মার্কণ্ডেয় কাটজু

Update: August 12, 2012 22:32 IST

শিলাদিত্য চৌধুরীকে 'মাওবাদী' তকমা দিয়ে গ্রেফতার করার ঘটনার কড়া সমালোচনা করলেন প্রেস কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু। একসময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা করলেও রবিবার এক বিবৃতিতে কাটজু তাঁকে 'একনায়ক', 'অসসহিষ্ণু' এবং 'খামখেয়ালী' বলে উল্লেখ করেন।

শিলাদিত্য চৌধুরীর ঘটনাকে তিনি 'রাজনৈতিক ক্ষমতার চূড়ান্ত অপব্যবহার' বলেও উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, এই গ্রেফতারিতে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে।  তিনি আরও বলেন, "তাঁর (মুখ্যমন্ত্রীর) ভূমিকাকে অগণতান্ত্রিক বললেও কম বলা হয়।" এমন কী মমতা ব্যানার্জির কোনও গণতান্ত্রিক দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা নেই বলেও বিবৃতি দেন তিনি।

যে সব আমলারা মমতা ব্যানার্জির নির্দেশ মেনে চলছেন তাঁদের ন্যুরেমবার্গের বিচারের কথা মনে করিয়ে দিয়ে কাটজু বলেন তাঁদের অবস্থাও নাৎসী অপরাধীদের মতো হবে। তিনি বলেন, "ঊর্ধতনের নির্দেশ পালন করা হয়েছিল বলে নাৎসী যুদ্ধাপরাধীরা ন্যুরেমবার্গের আদালতে যে আর্জি জানান তাকে খারিজ করে তাঁদের প্রত্যেককেই ফাঁসী দেওয়া হয়। সেই একই ভাগ্য যেন না হয় সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গের আমলাদের ন্যুরেমবার্গের বিচার মনে রাখা উচিৎ।"

এর আগে, চলতি বছরের মে মাসে কলকাতায় এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনাড়ম্বর জীবনযাপনের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। সেই প্রসঙ্গ টেনে আজ তিনি বলেন তাঁর আগের বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত জীবনযাত্রার মূল্যায়ন ছিল। এখন সেই অবস্থান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে ভারতের সাংবিধানিক অধিকার এবং মানবাধিকারের প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর ন্যূনতম শ্রদ্ধা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।


কেবলমাত্র শিলাদিত্য চৌধুরীর গেফতার নয়, এঁর আগে কার্টুন-কাণ্ডে গ্রেফতার ও
হেনস্থার শিকার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালরের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র এবং
বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক-শোতে প্রশ্ন করে 'মাওবাদী' চিহ্নিত তানিয়া
ভরদ্বাজের প্রসঙ্গেরও কড়া সমালোচনা করেন মার্কণ্ডেয় কাটজু।



বিনপুরের বাসিন্দা শিলাদিত্য চৌধুরীকে শনিবারই মাওবাদী সন্দেহে গ্রেফতার
করেছে পুলিস। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেলপাহাড়িতে
জনসভায় গিয়েছিলেন শিলাদিত্য চৌধুরি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর আর্থিক
দূরবস্থার কারণ জানাতে যান তিনি। সমস্যার কথা জানাতে গিয়েই বিপদে পড়েন
তিনি। তাকে মাওবাদী চিহ্নিত করে ধরে নিয়ে যায় পুলিস। বেশকিছুক্ষণ
জিক্ষাসাবাদ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর পরে শনিবার তাঁকে গ্রেফতার
করা হয়।



Post Your Comment

Total Comments:9

Uni mukamantri noy,murkhamantri

Na bujhe kaj korar parinoti, Mamata sarkar jodi Maobadi binash korte chai tahole ei bhbe keno? alternative rasta to achhe,ami mone kori tader dabidawar upor najor dea & tar samadhan kora ta uchit.tahole to r kono problem face korte hoy na.

CHUUUUP.............. PORIBARTAN CHALCHE!!!!!!!!!!!!!! SATHIK SAMAYE ASLE MANUSHOOOOOOOOOOOO BUJHE JABE. SIR KATJU JADI HIGH COURT ER CHIEF JUSTICE HOTEN TAHOLE HOYTO AMADER CM TENAKE BADLI KORE DITEN..............

Achchha PORIBARTAN!!!

after arrest of chowdhury at belphari some section of media people crying foul if a suicide bomber attracted c.m then who will take responsibility for that? when a blast happened root of former C.M the police arrest a pregnant lady & kicked her at Lalgarh then this type of media keep mum,why? 18 minutes ago ·

Katju had earlier said that Mamata dsiplays ``highest intergrity`` as a leader. She is passionate and honest and working overtime for the poor of Bengal, was what he had said. What made Katju `wake up` so dramatically? Is it Mamata`s oppostion to FDI in retail? I think so. The national media, led by the Times group, will now start Mamata-lynching until she yields to the Congress pressure of opening the retail sector. The Left is opposed too, so the `planted news` of the Left`s corporate funding was allowed to make rounds before it was staunchly rebuffed by the CPI(M) press release. Mamata`s problem: she does not have the party or the people to make such complex political manouvering as the Left have. She will fall rapidly from a `darling` of the media to its `vamp`. Without much good work to show, with the corporate backing gone she will soon find it difficult to enchant the masses with her lofty but empty promises.

i agree with sir katju. it`s very bad for the country.

যাক ভাল,সময় মতো তাঁর পাশে থাকা মানুষও বুঝতে পারছে একজন উন্মাদের হাতে রাজ্যের শাসন ভার তুলে দিয়েছে । এখন পরিবর্তন পান্থি অতি বুদ্ধিজীবীরা সেটা যতো তাড়াতাড়ি বুঝবে ততোই রাজ্যের পক্ষে মঙ্গল ।

...when Sir Katju is expressing his un-happiness on the issue... then nothing to say except following him.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।