চপার দূর্নীতিতে সিবিআই তদন্তেও অভিযুক্ত প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান

Update: February 25, 2013 22:00 IST

ভিভিআইপি হেলিকপ্টার দূর্নীতিতে সিবিআই-এর প্রাথমিক তদন্তে অভিযুক্ত হিসাবে প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধান এসপি ত্যাগির নাম উঠে এল। প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে প্রাক্তন অ্যাডমিরল সুশীল কুমারের পর এই পর্যায়ের একজন প্রাক্তন উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিক সিবিআই-এর তদন্তে দুর্নীতিতে অভিযুক্ত চিহ্নিত হলেন।

সিবিআই সূত্রে জানা গেছে ত্যাগীর সঙ্গেই প্রাথমিক তদন্তে আরও দশজন এবং চারটি সংস্থাকে অভিযুক্ত হিসাবে চিহ্নিত করেছে সিবিআই। অভিযুক্ত দশজনের মধ্যে প্রাক্তন বায়ুসেনা প্রধানের তিন তুতো ভাই বোনে জুলি, ডোকসা ও সন্দীপেরও নামও আছে।

সূত্রে খবর সন্দেহভাজন ইউরোপীয় মিডলম্যান কার্লো গারোসা, ক্রিশ্চিয়ান মিশেল এবং গুইডো হ্যাসখের সঙ্গেই আইনজীবি গৌতম খৌতান, অগাস্তাওয়েস্টল্যান্ড প্রাক্তন সিইও ব্রুনো স্প্যাগনোল্লিনি, এরোম্যাট্রিক্স-এর প্রাক্তন সিইও প্রবীণ বক্সী, প্রাক্তন ফিনমেকানিকা চেয়ারম্যান গিউসেপ্পে ওরসির নামও আছে সিবিআই-এর তালিকায়।






Post Your Comment

Total Comments:1

Indian security system should be handover on America. There security intelligence batter then India. Our central government is innocently support terrorist killing in India. They think Muslims are vote bank of congress party. And try making good relation with Pakistan. Avery wanted terrorist are shelter by Pakistan Muslim people or government. Indian Muslim people also shelter every terrorist. When America found Osama -bin-Laden in Pakistan then killed him by U.S.A. army. So Indian security system should be control by America.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।