নারকেলডাঙায় গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার হল দুই

নারকেলডাঙায় গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার হল দুই

নারকেলডাঙায় প্রোমোটিং ঘিরে দুষ্কৃতীতাণ্ডব, গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার হল দুই অভিযুক্ত। আরশাদ ও আখিল নামে ওই দুজনকে মধ্য কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের ধরতে যৌথ অভিযান চালায় কলকাতা পুলিসের গুণ্ডাদমন শাখা এবং নারকেলডাঙা থানার পুলিস। তবে এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত টাকলা আলম এখনও ফেরার। গতকাল দিনেদুপুরে কুখ্যাত দুষ্কৃতী টাকলা আলম ও তার শাগরেদদের দৌরাত্ম্যে গুলিবিদ্ধ হয় কামারুদ্দিন নামে এক যুবক। অভিযোগ, নারকেলডাঙা নর্থ রোডে একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের প্রোমোটিংয়ের দখল নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই গণ্ডগোল চলছিল। গায়ের জোরে এর দখল নেওয়ার চেষ্টায় ছিল টাকলা আলম। এর জেরেই কালও গণ্ডগোল হয়।

গাজিয়াবাদে পুলিসি চেকিংয়ের সময় গাড়ি থেকে চলল গুলি! গাজিয়াবাদে পুলিসি চেকিংয়ের সময় গাড়ি থেকে চলল গুলি!

গাজিয়াবাদে পুলিসি চেকিংয়ের সময় গাড়ি থেকে চলল গুলি। পুলিস-দুষ্কৃতী ধুন্ধুমার লড়াইয়ে উত্তপ্ত এলাকা। আগামিকাল প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে এধরনের ঘটনা, নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে। গতরাতে গোবিন্দপুরম পুলিস চৌকির সামনে রুটিন চেকিং করছিলেন পুলিস কর্মীরা। ছাব্বিশে জানুয়ারির আগে গাজিয়াবাদে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এধরনের চেকিং চলছে। গোবিন্দপুরমে চেকিং চলাকালীন একটি গাড়িকে থামতে বলা হলে, সেটি আরও স্পিড বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে। গাড়ির ভিতর থেকে পুলিসকে লক্ষ্য করে চলে মুহর্মুহু গুলি। পাল্টা গুলি চালায় পুলিসও। রীতিমতো চেস করে ধরে ফেলা হয় দুষ্কৃতীদের গাড়িটিকে। এক জনকে গ্রেফতারও করা হয়। তবে পুলিসের অনুমান, গাড়িতে আরও এক দুষ্কৃতী ছিল। সে এখনও ফেরার।

 দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক

দুবরাজপুরের SI অমিত চক্রবর্তী হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার হল আরও এক জন। ধৃত শেখ দুলাল এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। গতরাতে দুবরাজপুরের মামুদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এনিয়ে এই ঘটনায় ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল সতের। দুর্গাপুর, আসানসোল শিল্পাঞ্চলে একাধিক চুরি-ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযুক্ত শেখ দুলাল। SI হত্যাকাণ্ডে পুলিসের চার্জশিটে তিন নম্বরেই নাম রয়েছে শেখ দুলালের। দুহাজার চোদ্দর পাঁচই জুলাই দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় খুন হন SI অমিত চক্রবর্তী। সিউড়ি আদালতে মামলা রুজু করে নিহতের পরিবার। অভিযুক্তের তালিকায় নাম ওঠে পঞ্চাশ জনের। তাদের বেশিরভাগই শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত। এই মামলায় ধৃতদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে খুন সহ একাধিক ধারায় চার্জ গঠন হয়েছে। ধৃতের তিন দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 বিদেশে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার উইপ্রোর আরও এক কর্মী বিদেশে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার উইপ্রোর আরও এক কর্মী

বিদেশে গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার হল উইপ্রোর কলকাতা অফিসের আরও এককর্মী। গতকাল রাতে সেক্টর ফাইভ এলাকা থেকে গ্রেফতার হয় রাহুল শেঠ নামে ওই কর্মীকে। আজ আদালতে তোলা হয় ধৃতকে। এর আগে একই অভিযোগে সংস্থার আরও দুই কর্মীকে গ্রেফতার করে বিধাননগরের সাইবার ক্রাইম শাখা। উইপ্রোর কলকাতা অফিসে বসে সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ব্রিটেনের এক  সংস্থার ক্লায়েন্টদের ডেটা চুরি করে সরাসরি ক্লায়েন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করা। এরপর সেই তথ্য মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ক্লায়েন্টদের কাছে পৌছে দেওয়া। এভাবেই গোপনে কাজ চালাচ্ছিল  উইপ্রোর কলকাতা অফিসের কর্মী আজহারউদ্দিন আহমেদ, মণীশ ঘোষ ও রাকেশ শেঠ। ক্লায়েন্টদের থেকে টাকা সরাসরি পৌছে যেত এই তিন কর্মীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে।  যার ফলে ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছিল উইপ্রোর। বিষয়টি জানতে পেরে ব্রিটেনের ওই সংস্থা যোগাযোগ করে উইপ্রোর সঙ্গে।

বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানায় হামলায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার ৯ বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানায় হামলায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার ৯

বীরভূমের ময়ূরেশ্বর থানায় হামলার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ন জন। গতকাল রাতভর চলে পুলিসি তল্লাসি। মাজাইপাড়া সহ আশেপাশের গ্রামগুলিতে ব্যাপক ধড়পাকড় চলছে। কার্যত পুরুষশূন্য সবকটি গ্রাম। জনরোষের মুখে পড়ে গতকাল রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ময়ূরেশ্বর থানা। মারমুখী জনতার হাত থেকে বাঁচতে থানা ছেড়ে পালান ওসি রাকেশ সাধুখাঁ সহ পুলিসকর্মীরা। দুর্ঘটনায় এক পথচারীর মৃত্যুকে ঘিরে গণ্ডগোল শুরু হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় পুলিসের একটি ভ্যান। থানা ঘেরাও করেও, পুলিসের আরেকটি জিপে আগুন ধরিয়ে দেয় জনতা। থানা ছেড়ে ব্যারাকে আশ্রয় নেয় পুলিস। পরে সিউড়ি থেকে বিশাল বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে, তারা ফের থানায় ফেরে। 

অপরাধী নিজেই ছবি দিল পুলিশকে, হল গ্রেফতার! অপরাধী নিজেই ছবি দিল পুলিশকে, হল গ্রেফতার!

বিচিত্র কাণ্ড ঘটিয়েছেন আমেরিকার ওহায়োর বাসিন্দা ডোনাল্ড পুগ। অপরাধের শাস্তি দিতে তাঁকে বেশ কিছুদিন ধরে খুঁজে পাচ্ছিল না লিমা পুলিস বিভাগ। এরপর ওয়েবসাইটে পুগের একটা ছবি ছাপিয়ে নোটিস জারি করে তারা। ছবিটা চোখে পড়ে পুগের। কিন্তু নিজের এমন কুত্‍সিত ছবি পছন্দ হয়নি পুগের। বেশ কয়েকটা হাসি হাসি মুখের ছবি তুলে পুগ নিজেই পাঠিয়ে দেন লিমা পুলিসের দফতরে। সঙ্গে নোটে লেখেন, তিনি মোটেই দেখতে খারাপ নন। অতএব তাঁর খারাপ ছবি ছাপতে পারে না পুলিস। পুলিসও ছবি পেয়ে আহ্লাদে আটখানা। সঙ্গে সঙ্গে পুগের ভাল ছবি ওয়েবসাইটে আপলোড করে দেয় তারা। একইসঙ্গে পুগকে জানায়, অবিলম্বে তাদের সঙ্গে দেখা করতে। দেখা করার পর পুগকে গ্রেফতারও করতে পারে তারা।