রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেসকে আক্রমণ

Update: September 24, 2011 15:02 IST

রাওয়ালপিণ্ডি এক্সপ্রেসের অভিযোগের পাল্টা জবাব দিলেন সুলতান অফ সুইং. শুক্রবার নিজের আত্মজীবনীতে বিভিন্ন রকমের বিস্ফোরক মন্তব্য করে সারা ক্রিকেট দুনিয়াতে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন পাকিস্তানের এই তারকা. ওয়াসিম আক্রম সম্পর্কে শোয়েব আখতার যে সমস্ত অভিযোগ এনেছেন, তার উত্তরে শনিবার আক্রমের সাফ জবাব, শোয়েব যখন দলে ছিল তখনও সমস্যা তৈরি করেছিল, দলের বাইরে গিয়েও নানারকম সমস্যা তৈরি করেছে. সচিনের মত ব্যাটসম্যান কোনও বোলারকে ভয় পেতে পারেন না বলেও মনে করেন আক্রম.
শোয়েব নিজের আত্মজীবনীতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন. তাঁর বোলিংকে ভয় পেতেন সচিন তেন্ডুলকর, এমনই দাবি করেছেন রাওয়লপিণ্ডি এক্সপ্রেস. শোয়েবের আরও দাবি সচিন, রাহুল কেউই ম্যাচ উইনার নন. শোয়েব ছেড়ে কথা বলেননি ওয়াসিম আক্রাম, শাহরুখ খান, ললিত মোদীকেও.
শুধু ভারতের নয় গোটা ক্রিকেট বিশ্বের ব্যাটিং আইকন সচিন রমেশ তেণ্ডুলকর. সেই ব্যাটিং আইকনের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে, ঝড় তুলে দিয়েছেন শোয়েব আখতার. নিজের আত্মজীবনী ‘কন্ট্রোভার্সিয়ালি ইয়োর্সে’ শোয়েব লিখেছেন সচিন তাঁর বোলিংকে ভয় পেতেন,তাঁর পেসে নাজেহাল ছিলেন. স্লো উইকেটেও তাঁকে সামলাতে পারতেন না সচিন.
ভিভিয়ান রিচার্ডস, রিকি পন্টিং, ব্রায়ান লারা মহান ব্যাটসম্যানেরা ব্যাট দিয়ে শাসন করেছে এবং ওঁরা ম্যাচ উইনার. প্রথমদিকে আমি যখন সচিনকে বল করতাম এই গুণগুলো দেখতে পাইনি. ওর হয়ত প্রচুর রান এবং রেকর্ড আছে কিন্তু একটা ম্যাচ ফিনিশ করার দক্ষতা ওর নেই.
শোয়েবের আরও বক্তব্য রাহুল দ্রাবিড়ও কোনওদিনই ম্যাচ উইনার নন. শুধু সচিন, দ্রাবিড়ই নন শোয়েব সরাসরি আঙুল তুলেছেন শাহরুখ খানের দিকে. বলেছেন শাহরুখ তাঁকে প্রতারণা করেছেন. যে শাহরুখের সঙ্গে তাঁর এত ভাল সম্পর্ক বলে জানা যেত তাঁকে হঠাত্ এরকম আক্রমণের অর্থ কি থাকতে পারে তানিয়ে জল্পনা ক্রিকেট মহলে.ওয়াসিম আক্রমের স্পষ্ট বক্তব্য নিজের বইয়ের প্রচার ও বিক্রি বাড়ানোর জন্যই শোয়েবের এই চেষ্টা.

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।