দার্জিলিঙে সভাস্থলেই গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে ক্ষোভের মুখে মুখ্যমন্ত্রী

দার্জিলিঙে উত্তরবঙ্গ উৎসবের সূচনায় শুরুতেই ছন্দপতন। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের মাঝে তাঁর সামনেই গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ জানাতে  থাকেন উপস্থিত মোর্চার কর্মী সমর্থকরা। এর পরেই উত্তেজিত মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকেই কার্যত ধমকের সুরে মোর্চা সমর্থকদের জানালেন, "এটা রাজনৈতিক দাবি জানানোর জায়গা নয়, সরকারি মঞ্চ। আপনাদের দাবি আপনাদের দলীয় সভায় জানাবেন।" মঞ্চে তখন উপস্থিত গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল গুরুং।

Updated: Jan 29, 2013, 01:56 PM IST

দার্জিলিঙে উত্তরবঙ্গ উৎসবের সূচনায় শুরুতেই ছন্দপতন। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণের মাঝেই তাঁর সামনেই গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ জানাতে  থাকেন উপস্থিত মোর্চার কর্মী সমর্থকরা। এর পরেই উত্তেজিত মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চ থেকেই কার্যত ধমকের সুরে মোর্চা সমর্থকদের জানালেন, "এটা রাজনৈতিক দাবি জানানোর জায়গা নয়, সরকারি মঞ্চ। আপনাদের দাবি আপনাদের দলীয় সভায় জানাবেন।" মঞ্চে তখন উপস্থিত গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রধান বিমল গুরুং।
দেখুন ভিডিও
এর পরেই সভা স্থল থেকে বহু মানুষ বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। মঞ্চ থেকে নেমে চেয়ারে বসেন দৃশ্যত ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীও। তাঁর প্রস্থানের পরেই একে একে মঞ্চ ছাড়েন বিমল গুরুং সহ অন্যান্য নেতারা। মুখ্যমন্ত্রীকে বোঝাতে চেষ্টা করেন বিমল গুরুং। এর পর অনুষ্ঠান থেকেই বেড়িয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী, বিমল গুরুং এবং অন্যান্যরা।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী উদ্বোধনী ভাষণে বলেন, "দার্জিলিঙ এই রাজ্যেরই অংশ।" পাহাড়ে অনেক কাজ হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। একই সঙ্গে অন্যান্য জেলা সফরের মতো এই মঞ্চেও মুখ্যমন্ত্রী আরও অনেক প্রতিশ্রুতিও দেন। দুটি পলিটেকনিক কলেজ, দুটি আইটিআই, দুটি বিদ্যৎ প্রকল্প, একটি বিমানবন্দর, একটি হেলিপ্যাড সহ প্রভূত প্রতিশ্রুতির ঘোষণা করেন তিনি। তবে দৃশ্যতই এতে চিঁড়ে ভিজল না মোর্চা সমর্থকদের। তাঁর সামনেই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তাঁরা।
সভাস্থলে গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে বিক্ষোভের মুখে পড়ায় মোর্চা নেতাদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক বাতিল হয়ে যায়। অথচ আজ মোর্চা নেতা বিনয় তামাং জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ে সভার শেষে বিকালে মমতার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন তাঁরা।
গত কয়েকদিন ধরে গোর্খাল্যান্ডের  দাবিতে  দিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখালেও আজ মোর্চার কোনও কর্মসূচি নেই বলেই জানা গেছে। আজ বিকেলে মোর্চার শীর্ষ নেতৃত্ব দেখা করতে পারেন বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীর সঙ্গে।