খাদ্যে বিষক্রিয়ায় বিরাটিতে মৃত ১, অসুস্থ ২৫০

Update: July 31, 2012 09:38 IST

খাদ্যে বিষক্রিয়ার জেরে বিরাটির বাঁকরার প্রায় আড়াইশো বাসিন্দা বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন। এদের মধ্যে ফতিমা নামে ছ-বছরের এক শিশুকন্যার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিষক্রিয়ার ফলে রবিবার রাত থেকেই অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন বাঁকরার বাসিন্দারা। গতকাল, সকাল থেকে তা প্রায় মহামারীর চেহারা নেয়। দুপুর থেকেই অসুস্থরা আসতে শুরু করেন  হাসপাতালে। অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বলে দাবি করেছেন তিনি।

রবিবার রাত থেকে ওই এলাকায় একের পর এক বাসিন্দা খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সোমবার সকাল থেকে তা প্রায় মহামারীর চেহারা নেয়। উত্তর দমদম পুরসভার চেয়ারম্যানের তরফে অসুস্থদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার ব্যবস্থা হয়। স্থানীয় হাসপাতালে কয়েকজনকে ভর্তি করা হয়। বাকিদের পাঠানো হয় বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে।
 
মূলত স্যালাইনের সাহায্যে অসুস্থদের চিকিত্‍সা শুরু হয়েছে। এত সংখ্যক রোগীর চাপ সামলাতে চিকিত্‍সকদের ডেকে পাঠানো হয়। অসুস্থদের সাহায্যার্থে এগিয়ে আসেন স্থানীয় কাউন্সিলরও। রাতেই হাসপাতালে আসেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত অসুস্থ রোগীরা আসতে থাকেই আইডি হাসপাতালে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের সুপার। পরিস্থিতি মোকাবিলায় গভীর রাতে বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের নিয়ে আসা হয়। ভোর রাতে ফতিমা নামে ছ-বছরের এক শিশুকন্যার মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।