বিয়ে ভাঙল নাবালিকা, অমানবিক পুলিস

Update: January 7, 2013 10:58 IST

এক নাবালিকা বিয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও, পাশে দাঁড়াল না পুলিস। অসহযোগিতার এই অভিযোগ উঠেছে ঝাড়গ্রাম থানার বিরুদ্ধে। টানা ৮ ঘণ্টা মেয়েটিকে থানায় দাঁড় করিয়ে রাখার পর, শেষপর্যন্ত স্থানীয় এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের চাপে তাঁর অভিযোগ নেয় পুলিস।

দিনকয়েক আগে এক মহিলা নির্যাতনের অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন ঝাড়গ্রাম থানায়। অভিযোগ নেওয়ার আগে ওই মহিলার ক্যারেক্টার সার্টিফিকেট আনতে বলা হয়েছিল। সেই ঘটনায় বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার বিয়ের অভিযোগ জানাতে আসা এক নাবালিকাকে হেনস্থার অভিযোগ উঠল ঝাড়গ্রাম থানার বিরুদ্ধে। নতুনডিহির বাসিন্দা নবম শ্রেণির ছাত্রী শ্রিয়া চৌধুরীর বিয়ে ঠিক করেন তাঁর বাবা। কিন্তু, বছর ১৭র শ্রিয়া বিয়ে করতে রাজি হয়নি। শুরু হয় মারধর, অত্যাচার। শেষপর্যন্ত রবিবার তাঁকে বাড়ি থেকে বের করে দেন পরিবারের সদ্যরা। শ্রিয়া ঝাড়গ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তাঁকে চরম হেনস্থা করে পুলিস।

বাড়ি ফিরে গেলে সমস্যা হতে পারে সেই ভয়ে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত থানাতেই দাঁড়িয়ে ছিল শ্রিয়া। জেলার এসপি একজন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও কেন এক নাবালিকাকে এই হেনস্থা প্রশ্ন তুলেছেন মহিলা সংগঠনের সদস্যরা। শেষপর্যন্ত মহিলা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের চাপে পড়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর অভিযোগ নেয় ঝাড়গ্রাম থানা।

Post Your Comment

Total Comments:3

era baba na kosai...

SABBAS MEYE... TOMAR DIRGHO, SAFFOLLOMOI JIBON KAMONA KORI.

গণতন্ত্রে প্রয়োজন পুলিশ-প্রশাসন এবং সর্বত্র গণতান্ত্রিক শিক্ষা ও মানবিক চিন্তাধারা !! ... শ্রিয়া ! তোমার সাহসিকতার জন্য জানাই তোমাকে আন্তরিক অভিনন্দন আর ভালোবাসা-পূর্ণ শুভেচ্ছা।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।