বর্ধমানে নিহতদের স্মরণসভা

Update: March 2, 2012 21:54 IST

নিহত দুই সিপিআইএম নেতা প্রদীপ তা ও কমল গায়েনের স্মরণসভায় শুক্রবার অংশ নিলেন সিপিআইএম-এর নেতা কর্মী থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষও। এদিনের স্মরণসভায় প্রশাসনের ভূমিকার বিরুদ্ধে সরব হলেন বাম নেতারা। ঘটনার তদন্তে পুলিস প্রশাসনের ভূমিকা নিন্দনীয় বলেও মন্তব্য করেন নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। তবে বিচার ব্যবস্থার ওপর ভরসা রাখছেন তাঁরা।

বর্ধমানের সংস্কৃতি লোকমঞ্চে এই সভায় সিপিআইএম নেতা নিরুপম সেন হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করে বলেন, এই পরিবর্তন মানুষ চাননি। স্মরণ অনুষ্ঠানে সিপিআইএম নেতা মদন ঘোষ অভিযোগ করেন, নিরাপত্তা অভাবের কথা জানিয়ে প্রদীপ তা চিঠি লিখেছিলেন পুলিসকে। কিন্তু সেই চিঠিকে পুলিস গুরুত্ব দেয়নি বলেই প্রদীপ তা ও কমল গায়েনকে এভাবে খুন হতে হল।

স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএম-এর রাজ্য এবং জেলাস্তরের নেতারা। এখন যেহেতু মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে, তাই বাইরে স্মরণ অনুষ্ঠান না করে সংস্কৃতি লোক মঞ্চে অনুষ্ঠান করা হয়। পরে বাইরে কোনও খোলা জায়গায় বড় করে অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রয়েছে দলের।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।