ওয়েব ডেস্ক: বলিউডে একটা কথা চালু আছে, 'ইউ আর অ্যাজ গুড অ্যাজ ইওর লাস্ট ফ্রাইডে।'আসলে বক্স অফিস তোমার ছবি যতটা হিট, তোমার কেরিয়ারটাও ততটা নিশ্চিত। এটাই অনেক সময় নির্মম সত্যি হয়ে দাঁড়ায়। শাহিদ কাপুর থেকে বিবেক ওবেরয়। সবাই একথাটা হারে হাড়ে টের পেয়েছেন।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন-ছেলের সামনেই শাহরুখকে দেখে যা করলেন তরুণী! (ভাইরাল ভিডিও)


প্রযোজক, পরিচালকরা তাদের কাছেই ছুটে বেড়ায় যাদের দেখতে দর্শক হলে ভিড় জমান। তাই আইটেম গানে নাচের কথা এলেই সবচেয়ে আগে আসে সানি লিওনের নাম। আবার বিগ বাজেটের ছবি বানালেই প্রস্তাব যায় খানেদের কাছে। কারণটা একটাই এরা হিট ছবির ফর্মুলা।


আরও পড়ুন- ছোট পর্দায় সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিক নেন কোন অভিনেতা


কিন্তু বলিউডে এরকম বেশ কয়েকবার হয়েছে যেখানে দেখা গিয়েছে একটা বড় ফ্লপ একজন অভিনেতাদের কেরিয়ারকে কার্যত শেষ করে দিয়েছে। এই যেমন কাজলের বোন তানিশা। উদয় চোপড়ার সঙ্গে নিল অ্যান্ড নিকি-এত ব্যর্থ হয় যে আর কেউ তানিশাকে নিতে সাহস দেখাননি। কিংবা ধরা যাক মনোজ কুমার। ১৯৮৯ ক্লার্ক-এর ব্যর্থতা মনোজ কুমারের বলিউডের দ্বিতীয় ইনিংসের পথে কাঁটা বিছিয়ে দেয়। হিস-এর ব্যর্থতার ঝাপটায় মল্লিকা শেরওয়াতও বলিউডে জমি হারান। তবে এই বিষয়টার উদাহরণে সবচেয়ে যার কথা বেশি আসে তিনি মেঘনা কোঠারি। মেঘনার বলিউডে অভিষেক হয় ফরদিন খানের সঙ্গে।



ফিরোজ খানের ছেলে ফরদিনের প্রথম সিনেমা ''প্রেম আগনে''নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করেন মেঘনা। কিন্তু সিনেমাটা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বলিউডের সবচেয়ে ব্যর্থ সিনেমার তালিকায় প্রথম দিকে ঠাঁই পায়। মেঘনার সুন্দর লুক নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও 'প্রেম আগনে'-এর পর আর কেউ তাঁকে নিতে আগ্রহ দেখাননি। হতাশায় মেঘনাও সিনেমা করার আগ্রহ হারান। পরে অবশ্য ২০০৪ সালে ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুটিস সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন মেঘনা। তবে এটা ঠিক 'প্রেম আগনে'র ব্যর্থতায় মেঘনার কেরিয়ারটাই শেষ করে দিয়েছিল।