পিয়ালি মিত্র:  ২২ অগস্ট থেকে নিখোঁজ অতনু দে এবং অভিষেক নস্কর নামের দুই ছাত্র। দু’জনেই বাগুইআটির হিন্দু বিদ্যাপীঠের দশম শ্রেণির ছাত্র। সম্পর্কে তারা তুতো ভাই। ২৪ অগস্ট বাগুইআটি থানায় অভিযোগ করে পরিবার। তার পরেই তদন্ত শুরু করে পুলিস। প্রায় ১১ দিন পর বসিরহাটের মর্গে পাওয়া গেল দুই ছাত্রের নিথর লাশ। গোটা ঘটনার আংশিক কিনারা করল বিধাননগর পুলিস। পুলিস সূত্রে খবর, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ীই খুন করা হয়েছে অতনু ও অভিষেককে। বেশ কিছুদিন আগেই সেই প্ল্যান করা হয়। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন, Baguiati Student Murder: বাগুইআটির ২ পড়ুয়া খুন, মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্রর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মেলামেশা ছিল অতনুর!


অভিজিৎ-সহ বাকি অভিযুক্তদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, কয়েকদিন আগে বিধাননগর এলাকায় অভিজিতের সঙ্গে একটি হোটেলে দেখা করে সত্যেন্দ্র চৌধুরী। সেই হোটেল কাজ করত অভিজিৎ। বাকি তিনজনকেও জোগাড় করে সত্যেন্দ্র। পরে ওই হোটেলেই হত্যার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করা হয়। যদিও প্রধান টার্গেট ছিল অতনু। কিন্তু সেদিন অতনুর সঙ্গে পিসুতুত ভাই অভিষেক থাকায় খুন হতে হয় তাকেও। অত্যন্ত সুচারু ভাবেই এই পুরো ঘটনা প্ল্যান করেছিল সত্যেন্দ্র। যে নম্বর থেকে মেসেজ করা হয়েছে সেই নম্বরগুলি থেকে মেসেজ ছাড়া করা ছাড়া আর কোথাও যোগাযোগ করা হয়নি। যাতে পুলিস সেগুলি ট্র্যাক না করতে পারে।


প্রসঙ্গত, বাগুইআটির দুই স্কুল পড়ুয়া অতনু দে ও অভিষেক নস্করের খুনের ঘটনায় এখনওপর্যন্ত মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। যে গাড়িতে অতনু ও অভিষেককে অপরহণ করে খুন করা হয় সেটিকে বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিস। ধৃতদের মধ্যে ছিল অভিজিত্ বোস, তার বাড়ি হাওড়ায়। বাকিরা শামিম আলি, শাহিন আলি, দিব্যেন্দু দাস। তাকেই জেরা করেই ওই গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়। কেষ্টপুর থেকে গাড়িটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওই গাড়িতেই দুই ছাত্রকে অপহরণ ও বাসন্তী হাইওয়ের উপরে তাদের শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় বলে পুলিস সূত্রে জানা যাচ্ছে। গাড়িটি কার নামে রয়েছে তা খোঁজ খবর করে দেখছে পুলিস। কিন্তু মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরি এখনও পলাতক।


আরও পড়ুন, Baguiati Student Murder: বাগুইআটিতে বিক্ষোভের মুখে সুকান্ত, উঠল 'গো-ব্যাক' স্লোগান


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)