নিজস্ব প্রতিবেদন: ভবানীপুরে উপনির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে চায় না কংগ্রেস (Congress)। এখনও অধীর চৌধুরীর (Adhir Chowdhury) এমন ভাবনায় শিলমোহর দেয়নি হাইকম্যান্ড। তবে শরিক দল না চাইলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে চায় আলিমুদ্দিন (Alimuddin)। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উঠছে, সিপিএমের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া কীভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কংগ্রেস। আর এরই সঙ্গে সংযুক্ত মোর্চার ভবিষ্যৎ নিয়েও বাড়ছে ধোঁয়াশা। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রার্থী দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি (West Bengal Congress President)। কংগ্রেস সূত্রে খবর, অধীরের (Adhir Chowdhury) প্রস্তাবে এআইসিসি যে সম্মতি দেবে সেনিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত প্রদেশ নেতৃত্ব। কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে আগ বাড়িয়ে এখনই কিছু বলতে নারাজ আলিমুদ্দিন (Alimuddin)। তবে ভবানীপুরে প্রার্থী দেওয়ার ভাবনায় বামেরা। বামফ্রন্টের বৈঠকে এব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সূত্রের খবর। শরিক দলগুলির অভিমত, তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আর গণসংগ্রামের অংশই তো নির্বাচন।    


কংগ্রেসের অবস্থানে অবশ্য বেশ অস্বস্তিতে সিপিএম নেতৃত্ব। কারণ ২০১৬ সালে সমঝোতার পর আর কংগ্রেস-সিপিএমকে একসঙ্গে কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি। সেই স্মৃতিই ফিরে আসছে একুশে। অনেকেই মনে করছেন, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে জনমানসে জোটের বিশ্বাসযোগ্যতা তলানিতে ঠেকবে। এমনিতেও ভোট দিনে দিনে কমছে। তার উপরে শরিকের এমন ঋতু পরিবর্তনের মতো অবস্থান বদল হলে তো ঘুরে দাঁড়ানো মুশকিল। কংগ্রেস শিবিরেও যে আপত্তি ওঠেনি তা নয়! সূত্রের খবর, অধীরের প্রস্তাবে সায় নেই প্রদেশ নেতৃত্বের একাংশের। ওই সব নেতারা মনে করছেন, সিপিএমের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত ছিল।


উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ভবানীপুর আসনে মমতা বিরুদ্ধে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। প্রথমে ওমপ্রকাশ মিশ্র ছিলেন, পরে দীপা দাশমুন্সি প্রার্থী হন। ২০২১ ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হন যুব কংগ্রেস সভাপতি শাদাব খান। কিন্তু আগের দাপট আর দেখাতে পারেনি সংযুক্ত মোর্চা। তৃণমূল প্রার্থী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে মূলত লড়াই ছিল বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষের। 


 


আরও পড়ুন- মোদী নয় বাংলায় টিকাকরণের পর শংসাপত্রে থাকবে Mamata-র ছবি