নিজস্ব প্রতিবেদন: আইএনএক্স মামলায় চিদাম্বরমের ভূমিকা নিয়ে সিবিআইয়ের তরফে সওয়াল শুরু করলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।



COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

** তাঁকে হেফাজতে নেওয়া জরুরী বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী। এই মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তদের মুখোমুখি বসিয়ে তদন্তের প্রয়োজন।


** চিদাম্বরমই একমাত্র সে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন বলে জানান তুষার মেহতা।


** পি চিদাম্বরম তদন্তে সাহায্য করছেন না বলে অভিযোগ করেন তুষার মেহতা। তিনি বলেন, “তিনি চুপ থাকতেই পারেন। ওটা ওর সাংবিধানিক অধিকার। কিন্তু প্রশ্ন করলে ঘুরিয়ে উত্তর দিচ্ছেন।”


** তিনি জানান, সিবিআই আদালতের নির্দেশেই চিদাম্বরমকে জামিন অযোগ্য ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে ৫ দিনের হেফাজতের আর্জি জানান তুষার মেহতা।


সাড়ে ৩টে নাগাদ সিবিআইয়ের আদালতে পেশ করা হয় পি চিদাম্বরমকে। সেখানে উপস্থিত রয়েছেন ছেলে কার্তি ও স্ত্রী নলিনি চিদাম্বরম। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর জামিনের জন্য উপস্থিত হয়েছেন তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি।



উল্লেখ্য, টান টান নাটক শেষে বুধবার রাতেই INX মিডিয়া কাণ্ডে  প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে গ্রেফতার করে সিবিআই। দিল্লির জোড় বাগের বাড়ি থেকে চিদম্বরমকে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।



এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লিতে সিবিআই-এর সদর দফতরে। সেখানে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। সূত্রের খবর, রাতভর তাঁকে জেরা করেন সিবিআই আধিকারিকরা। আজই চিদম্বরমকে বিশেষ সিবিআই আদালতে তোলা হবে। দুপির দুটোর সময় তাঁকে আদালতে তোলার সম্ভাবনা। ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হতে পারে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। 


আরও পড়ুন- সহবাসের পর বিয়ের প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারলেই তা অপরাধ নয়: সুপ্রিম কোর্ট


মঙ্গলবার থেকে আচমকাই বেপাত্তা হয়ে যান চিদম্বরম। তাঁর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করে ইডি-সিবিআই। রক্ষাকবচ পেতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চিদম্বরমের দুঁদে আইনজীবীরা- সলমন খুরশিদ, কপিল সিব্বাল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। কিন্তু প্রধান বিচাপতি অযোধ্যা মামলায় ব্যস্ত থাকায় মামলা আর ওঠেনি। ফলে চিদম্বরমের গ্রেফতারি অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে ২৭ ঘণ্টা পর গতকাল সন্ধেয় কংগ্রেসের সদর দফতরে হাজির হয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন পি চিদম্বরম। নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। তখনই কংগ্রেসের সদর দফতরের উদ্দেশে রওনা দেয় সিবিআই-ইডি। কিন্তু তদন্তকারীরা পৌঁছনোর আগেই দলের দফতর ছাড়েন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী। জোড়বাগে নিজের বাড়িতে চলে যান। তাঁকে পিছু ধাওয়া করেন সিবিআই কর্তারা। দরজা বন্ধ থাকায় বাড়ির পাঁচিল টপকে বাড়িতে ঢুকে পড়েন তাঁরা।