ওয়েব ডেস্ক : মূল্যবৃদ্ধির বাজারে রাশ টানতেই রেপো রেট ৬.২৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আর্থিক বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী প্রভাব আনতেই এই সিদ্ধান্ত বলে দাবি করছে রাজার্ভ ব্যাঙ্ক। যদিও, সরকার বিরোধীদের দাবি, এই সিদ্ধান্ত আর্থিক বৃদ্ধির পক্ষে প্রবল অশনি সংকেত।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর উর্জিত প্যাটেলের নেতৃত্বে আজ বৈঠকে বসে ৬ সদস্যের মনিটরি পলিসি কমিটি। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখা হচ্ছে।


আরও পড়ুন- জেনে নিন, আপনার আধার কার্ডের ঠিকানা অনলাইনে কীভাবে বদলাবেন


৮ নভেম্বর দেশ জুড়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয়েছে তোলপাড়। সেই পরিস্থিতি আজকের বৈঠকের আগে আশা ছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে নতুন কিছু ঘোষণা আসতে চলেছে। তবে তা না হওয়ায় হতাশ শিল্প মহলের একাংশ। আশা ছিল আজকের বৈঠকে রেপো রেট কমতে চলেছে। আর তার জেরেই কমার কথা ছিল বাড়ি, গাড়ি থেকে অন্যান্য ব্যাঙ্ক লোনের ক্ষেত্রে সুদের হার।


কিন্তু তার কোনটাই হল না বৈঠকের শেষে। রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পাশাপাশি, শেষ ত্রৈমাসিকে আর্থিক বৃদ্ধির হার ৭.৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে করা হল ৭.১ শতাংশ। এদিকে, এই ঘোষণা হওয়া মাত্রই তার প্রভাব এসে পড়ল শেয়ার বাজারে। সেনসেক্সের সূচক ২২৮ পয়েন্ট নেমে যায় সরাসরি। যদিও, এর ফলে কোনও সমস্যা হতে পারে বলে মনে করছেন না উর্জিত প্যাটেল। তিনি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্কগুলিকে ৪ লক্ষ কোটি টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে, বর্তমানে তাদের হাতে প্রচুর পরিমাণ টাকা রয়েছে। আর তা থেকেই অতি সহজেই কমানো যেতে পারে সুদের হার।


নোট বাতিলের পর সংসদ অধিবেশনে দাঁড়িয়ে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বলেছিলেন, এর ফলে দেশে বড় ধরনের আর্থিক মন্দা আসতে চলেছে। এমনকী দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হারও ২ শতাংশ কমতে পারে। তাহলে আজকে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই ঘোষণা কি কিছুটা হলেও তারই ইঙ্গিত?