নিজস্ব প্রতিবেদন: অ্যাপলের সেলস ম্যানেজারের মৃত্যুর ঘটনায় কাঠগড়ায় যোগী আদিত্যনাথের পুলিস। সাংবাদিকদের উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''এটা এনকাউন্টার নয়। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে''। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

লখনৌয়ের রাস্তায় নিজের প্রাক্তন সহকর্মী মহিলার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন অ্যাপলের সেলস ম্যানেজার বিবেক তিওয়ারি।  গাড়ির মধ্যে থাকা ৩৮ বছরের বিবেককে গুলি করে খুন করে কনস্টেবল প্রশান্ত কুমার। তাঁর সাফাই, তাঁকে গাড়িতে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বিবেক। আত্মরক্ষায় গুলি চালাতে বাধ্য হন তিনি। ঘটনার পর ফের প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশ পুলিসের ভূমিকা। যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় বসার থেকে অপরাধীদের পাকড়াওয়ের নামে এনকাউন্টারের অভিযোগ উঠেছে পুলিসের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে মানবাধিকার কমিশনও। 'ট্রিগার হ্যাপি' পুলিসের নিশানায় এবার সাধারণ মানুষ। ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়েছে মৃত বিবেকের পরিবার।



যোগী আদিত্যনাথের কথায়, ''এই ঘটনাটি এনকাউন্টার নয়। তদন্ত হবে। দরকারে সিবিআইকে দিয়েও তদন্ত করানো হবে''।



মুখ্যমন্ত্রীর সুরেই উত্তরপ্রদেশ পুলিসের ডিজিপি ওপি সিংয়ের বক্তব্য,''ঘটনাটি খুনের। অভিযুক্ত পুলিস কর্মীকে বরখাস্ত করা হবে। এই ধরনের ঘটনা বরদাস্ত করব না। কড়া পদক্ষেপ করা হবে''। সাংবাদিক বৈঠকে লখনৌ পুলিসের সুপার কলানিধি নাইথানি বলেন,''ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। জেলাশাসক পর্যায়ের তদন্তের জন্য আমি নিজেই জেলাশাসকের কাছে অনুরোধ করেছি''।



স্বামীর মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েছেন বিবেকের স্ত্রী কল্পনা তিওয়ারি। তাঁর কথায়, ''আমার স্বামীকে গুলি করে মারার কোনও অধিকার নেই পুলিসের''। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার দাবি করেছেন কল্পনা। 


ঘাতক পুলিস কর্মী প্রশান্ত চৌধুরীর অভিযোগ, তাঁর বাইকে তিনবার ধাক্কা মারে বিবেকের গাড়ি। নিজেকে বাঁচানোর জন্য বাধ্য হয়ে গুলি চালান তিনি। গোমতি নগর থানায় প্রশান্ত চৌধুরীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করেছেন বিবেকের পরিবার। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিবেকের প্রাক্তন সহকর্মী জানিয়েছেন, দোষীর শাস্তি চান তিনি। 



ঘটনায় চাপের মুখে উত্তরপ্রদেশ পুলিস। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এত সাহস পেলেন ওই কনস্টেবল? ঘটনার পিছনে আসল কারণ কী? নিরপেক্ষ তদন্ত হলেই রহস্যের সমাধান হবে।     


আরও পড়ুন- প্রতিটি কোণা থেকে লিটনের আউটের ছবি দেখে নিন