নিজস্ব প্রতিনিধি : সেভিয়ার মিডফিল্ডার ফ্রাঙ্কো ভাজকুয়েজের সঙ্গে বল ট্যাকেলের লড়াইয়ে আঘাত পান। তার পরই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের বয়স তখন মাত্র ১৭ মিনিট। সেভিয়ার বিরুদ্ধে তখন এগিয়ে রয়েছে বার্সেলোনা। মেসির গোলেই। এমন সময় আচমকা হাতে চোট পেয়ে বসলেন এলএমটেন। বেশ কিছুক্ষণ উঠে বসতেও পারেননি আর্জেন্টাইন তারকা। এর পরই মাঠে ঢুকে পড়েন বারসার ফিজিও। মাঠে প্রাথমিক চিকিত্সার চেষ্টা করেন। কিন্তু লাভ হয়নি। মেসিকে নিয়ে যাওয়া হল সাইড লাইনের ধারে। সেখানে কিছুক্ষণ পর মেসিকে হাতে ব্যান্ডেজ বাঁধা অবস্থায় দেখা যায়।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন-  আমি মেসির সঙ্গে কোনও দিন খেলব না, বললেন এলএমটেন


শুরুতে ভাবা হয়েছিল, চোট হয়তো তেমন গুরুতর নয়। পেইন কিলার স্প্রে দিলেই ব্যাথাটা কমে যাবে। তখনও কেউ ভাবতে পারেননি, মেসি এত বড় চোট পেয়ে বসে রয়েছেন। যদিও যন্ত্রণায় মেসি কাতরানো দেখে অনেকেই বিপদের আঁচ পেয়েছিলেন। বাস্তবে হলও তাই। মাঠ থেকে সরাসরি একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হয় মেসিকে। সেখানে পরীক্ষায় ধরে পড়ে, মেসির ডান হাতে চিড় ধরেছে। আপাতত তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে তাঁকে। 


আরও পড়ুন-  ফের পাক-বধ, এবার পিছিয়ে থেকেও বাজিমাত


২৮ অক্টোবর এল ক্লাসিকো। রিয়াল-বারসার ধুন্ধুমার লড়াই। রোনাল্ডো চলে গিয়েছেন জুভেন্তাসে। তাই এল ক্লাসিকোয় তাঁর না থাকার দুঃখের জন্য সমর্থকরা মানসিকভাবে প্রস্তুত হচ্ছিলেন। এমন সময় মেসিও ছিটকে গেলেন। পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় এক যুগ পর মহাতারকাদের ছাড়া এমন ম্যাড়ম্যাড়ে এল ক্লাসিকো হতে চলেছে। মেসি-রোনাল্ডোহীন এল ক্লাসিকো গত ১১ বছরের মধ্যে এই প্রথম। ২৩ ডিসেম্বর, ২০০৭ এ শেষবার মহাতারকাদের ছাড়া হয়েছিল ক্লাসিকো। কার্যতই যা ছিল সমর্থকদের কাছে অতি সাধারণ এক ম্যাচ। ন্যু ক্যাম্পে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে হুলিও ব্যাপতিস্তার গোলে ১-০ গোলে জিতেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। রোনাল্ডো তখন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডে। আর লিওনেল মেসি চোটের কারণে সেই ম্যাচে খেলতে পারেননি।