জি ২৪ ঘন্টা ডিজিটাল ব্যুরো: রয়্য়াল চ্য়ালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর থেকে রয়্য়াল চ্য়ালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) হয়েছে নাম। নামবদলেও ভাগ্য় ফেরেনি দলের। সেই একই হতশ্রী দশা আরসিবি-র। আইপিএলের জন্মলগ্ন থেকে খেলা তিন দলের মধ্য়ে দিল্লি-পঞ্জাব-বেঙ্গালুরু কখনও আইপিএল জিততে পারেনি। আইপিএল তো দূরের কথা ফাফ দু প্লেসিসদের ম্য়াচ জেতারও কোনও ইচ্ছা নেই। ১০ দলীয় লড়াইয়ে এখন সবার শেষে আরসিবি। সাত ম্য়াচের মধ্য়ে ছয় ম্য়াচ হারা ও এক ম্য়াচ জেতা দলের প্লে-অফের সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আর আরসিবির এহেন জঘন্য় ফর্ম আর চোখে দেখতে পারছেন না বিশ্বকাপ জয়ী প্রাক্তন ভারতীয় তারকা কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত (Kris Srikkanth)! তিনি সাফ বলে দিলেই এবার ১১ জন ব্য়াটার দিয়েই গল গোছাক আরসিবি। 


আগামী রবিবার কেকেআরের বিরুদ্ধে খেলবে আরসিবি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে গত ম্য়াচ হারা দলের জন্য় শ্রীকান্তের পরামর্শ রয়েছে কয়েকটি। তিনি তাঁর ইউটিউব চ্য়ানেলে বলেন, 'রেসে টপলে বেদম মার খেয়েছেন। লকি ফার্গুসনও ঠিক তাই। ও আইপিএলে কখনই ভালো কিছু করেনি। ও শুধু কলকাতা থেকে বেঙ্গালুরুতে এসেছে। উইল জ্য়াকস এখনও পর্যন্ত ওদের সেরা বোলার। ভালো হয় ওরা যদি ১১ জন ব্য়াটারকে খেলায়। ফাফ দু প্লেসিসকে দুই ওভার বল করতে বলা হোক। ক্য়ামেরন গ্রিনকে চার ওভার দেওয়া হোক। বিরাট কোহলিও ভদ্রস্থ বোলার। একটা পর্যায়ে এসে আমার কোহলির জন্য় খুব খারাপ লাগছিল। ও মাঠে দাঁড়িয়ে দেখছিল যে, বলগুলো উড়ে যাচ্ছে স্টেডিয়ামের উপর দিয়ে। ও যখন ব্য়াট করতে এসেছিল, তখন ও রেগে ছিল। ট্র্য়াভিস হেড প্রচণ্ড মারল, এরপর তো ক্লাসেন আর আবদুল সামাদও একই কাজ করে আরসিবি-র কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিয়েছে।'
 
এবার আসা যাক ছোট করে আরসিবি-সানরাইজার্স ম্যাচের কথায়। ম্যাচে টস হেরে প্রথমে ব্য়াট করে প্য়াট কামিন্সের সানরাইজার্স ৩ উইকেটে ২৮৭ রান তোলে। সৌজন্য়েহেডের ৪১ বলে ১০২। হেনরিখ ক্লাসেনের ৩১ বলে ৬৭। সানরাইজার্সের রান তাড়া করতে নেমে আরসিবি সাত উইকেটে ২৬২ রান তুলেছিল। আরসিবি হারে ২৫ রানে। দেখার মতো ছিল দীনেশ কার্তিকের ব্য়াটিং। ৩৫ বলে ৮৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন দীনেশ। এই প্রথম একই দলের চার বোলার নির্দিষ্ট কোটার বল করে ৫০-এর বেশি রান হজম করলেন। আরসিবি- রেসে টপলে (৬৮), যশ দয়াল (৫১), লকি ফার্গুসন (৫২) ও বিজয়কুমার বিশাক (৬৪) লজ্জার রেকর্ডে নাম জুড়ছেন।