দেবজ্যোতি কাহালি: গত সপ্তাহে শিলিগুড়ির কাউয়াখালিতে বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে নেমেই পৃথক কোচবিহারের দাবি করেছিলেন অনন্ত মহারাজ। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী যেখানে বলেছিলেন বঙ্গভঙ্গ চাই না সেখানে অনন্ত মহারাজ সাফ বলে দেন কোচবিহার পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে নয়। এনিয়ে যা করার তা করছে কেন্দ্র। সেই অনন্ত মহারাজকে ভাইফোঁটায় উপহার পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাঙালির একেবারে অন্যরকম উত্সব ভাইফোঁটা। সেই বিশেষ দিনে মুখ্য়মন্ত্রীর দেওয়া ধুতি, গামছা, মিষ্টি, ফুল অনন্ত মহারাজের বাড়িতে পৌঁছে দিলেন কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আরও পড়ুন- পশ্চিমবঙ্গের বাইরে কোচবিহার; ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্র, বিস্ফোরক অনন্ত মহারাজ


এনিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই পবিত্র ভাইফোঁটার দিনে অনন্ত মহারাজকে ফুল, মিষ্টি, ধুতি, গামছা, শাল, চাদর, পাজামা, পাঞ্জাবি পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। অনন্ত মহারাজের সুস্থ শরীর কামনা করেছেন। অনন্ত মহারাজও মুখ্যমন্ত্রীর জন্য একটি মুগার চাদর গামছা, পান, সুপারি আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। আমরা ওইসব উপহার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দেব। অনন্ত মহারাজ মুখ্যমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।



মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া উপহার নিয়ে অনন্ত মহারাজ সংবাদমাধ্যমে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবারই এরকম উপহার দেন। আমিই সেইভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে উপহার পাঠাই। কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকারও হয়েছিল। দীপাবলি ও দুর্গাপুজোতেও মুখ্যমন্ত্রী উপহার পাঠান।


আরও পড়ুন- আমাদের হাতে একটাও বিধায়ক নেই, সরকার ফেলে দেব, এত ভয় তৃণমূলের!


এদিকে,মুখ্যমন্ত্রীর পাঠানো উপহার নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের সম্ভাবনা প্রবল হয়ে উঠল। কারণ গতকালই শিলিগুড়ির  সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, বাংলা যারা ভাগ করতে চায় তাদের সঙ্গে নিয়ে চলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এদিন স্পষ্টতই তিনি অনন্ত মহরাজ ও অনীক থাপার নাম করেন। কেন এমন মন্তব্য? এসপ্তাহেই তৃণমূলের মুখপত্র জাগোবাংলায় লেখা হয়েছে, অশোক ভট্টাচার্যের বাড়িতে বাংলাভাগের  চক্রান্ত করেছেন বিজেপি নেতারা। এমনকি সরকার ফেলে দেওয়ার কথা হয়েছে। এনিয়ে গতকালই জি ২৪ ঘণ্টার আপনার রায় অনুষ্ঠানে অশোক ভট্টাচার্য গোটা বিষয়টির ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, স্ত্রীর প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠান করার জন্য কথা বলছিলাম। সেইসম আমার বাড়িতে আসেন দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তাঁর আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। রাজু আমাকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানালেন। আর বললেন, বৌদির প্রয়াণ দিবসের অনুষ্ঠানের জন্য আপনি কার্ড পাঠিয়েছিলেন। ওই দিন আসতে পারবেন না। ওকেও দীপবলির শুভেচ্ছা জানালাম। চা খেয়ে যেতে বললাম। রাজুর সঙ্গে ওর দলের ৮-৯ জন ছিলেন। আর জনা দশেক সাংবাদিক ছিলেন। মিনিট পনের পরেও ওরা চলে যায়।  


(Zee 24 Ghanta App দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির লেটেস্ট খবর পড়তে ডাউনলোড করুন Zee 24 Ghanta App)