নিজস্ব প্রতিবেদন: নিয়ম শতাব্দী প্রাচীন। সেই রাজ-রাজাদের আমল থেকে চলে আসছে কোচবিহারের রথ যাত্রার নিয়ম। কিন্তু করোনায় জীবন যেমন বদলেছে তেমন বদলেছে প্রাচীন রীতি রেওয়াজও। কিন্তু তাই বলে রথ যাত্রায় বাদ পড়তে চলেছে 'রথ'ই। 


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

প্রথা মেনে রথের দিন কোচবিহারের গুঞ্জবাড়িতে ডাঙ্গরাই মন্দিরে মাসির বাড়ি যান মদনমোহন। তবে এ বছর করোনা আবহের কারণে রথে নয়, যন্ত্রচালিত সুসজ্জিত যানে সওয়ারী হবেন 'দেব'। 


করোনা আবহে রাজ আমলের প্রথা মেনে মদনমোহন মন্দিরে পুজো হলেও গত বছরের মত এবছরেও রথের দড়িতে লাগাম টানা হয়েছে। প্রাচীন কাঠের রথের বদলে থাকছে যন্ত্র চালিত সুসজ্জিত বাহন। রথের দড়িতে টান দেওয়ার নিয়মে এবারও দর্শনার্থীদের জন্য বাদ রাখা হচ্ছে। 


কোভিডকাল বলেই সিদ্ধান্তে এমন বদল, তা জানানো হয়েছে৷ সোমবার প্রথা মেনে জেলা শাসক তথা দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ডের সভাপতি ও রাজ দুয়ার বক্সী রথের প্রতীকী দড়ি টেনে রথ যাত্রার সূচনা করবেন। তারপর গুঞ্জবাড়ি ডাঙ্গরাই মন্দিরে যাবেন মদনমোহন। সেখানে সাত দিন মদনমোহনের পুজার আয়োজন করা হবে।


আরও পড়ুন, থমকে আড়াইশো বছরের পুরনো রথের চাকা, কোভিডবিধি মেনেই মাঙ্গলিক আচার


তবে এবছর ডাঙ্গরাই মন্দিরে করোনা বিধি মেনে দর্শনার্থীদের প্রবেশের অধিকার থাকছে। দর্শনার্থীদের আবেগের কথা মাথায় রেখে থাকছে ফল, সন্দেশ ও অন্ন ভোগের ব্যবস্থা। মন্দির প্রাঙ্গণে মেলা ও কীর্তন সহ সমস্ত ধর্মীয় অনুষ্ঠান গত বারের মত এ বছরও বাতিল করেছে দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ড কতৃপক্ষ। 


সেখানে ৭ দিন থাকার পর আগামী ১৯ জুলাই বৈরাগী দিঘির নিজ মন্দিরে ফিরবেন মদনমোহন। চিরাচরিত রথের বদলে যন্ত্রচালিত সুসজ্জিত যানে মদনমোহনের মাসির বাড়ি যাত্রা অবাক করেছে ভক্তদের। দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, রথে দড়ি টানতে প্রচুর ভক্ত সমাগম হয়। সে কারণে দর্শনার্থীদের ভিড় এড়াতে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এ বছরও এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেবত্র ট্রাস্ট বোর্ড।