করাচি: সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য নজির সৃষ্টি করল পাকিস্তান। যে দেশে বারবার সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে, যে দেশের সাধারণ মানুষ প্রতি মুহূর্তে মৌলবাদী চরমপন্থীদের ধ্বংসলীলার আতঙ্কে দিন যাপন করেন সেখানে এক দল পড়ুয়া স্রোতের বিপরীতে হাঁটলেন। দেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের হোলি উৎসব পালন মসৃণ করতে গড়ে তুললেন মানব বন্ধন। আজ একটি মন্দিরের সামনে যখন রঙ খেলতে ব্যস্ত ছিলেন ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা তখন তাঁদের উৎসব পালনের গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রতি পূর্ণসংহতি জানিয়ে, তাঁদের সুরক্ষা দিতে মন্দিরটির চারদিকে তৈরি করলেন মানব ঢাল।  


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

আজ করাচির স্বামী নারায়ণ মন্দিরে হোলি উৎসবে মেতে ছিলেন পাকিস্তানের হিন্দুরা। দ্য ন্যশনল স্টুডেন্টস ফেডারেশন(এনএসএফ) মৌলবাদী আক্রমণের হাত থেকে দেশের সংখ্যালঘু মানুষদের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে এই মানব প্রাচীর বা ঢাল গড়ে তোলে।  


পাকিস্তানের জনসংখ্যা মাত্র ২% হিন্দু। দিনে দিনে কমছে সে সংখ্যাও। বারবার সেখানে উঠেছে জোর করে ধর্মান্তরণের অভিযোগও। ২০১২ সালে লাগাতার হেনস্থা, নিরাপত্তার অভাবের অভিযোগ এনে সে দেশ ছাড়েন বেশ কিছু হিন্দু পরিবার। সেই পাকিস্তানে কিছু ছাত্র-ছাত্রীর এই ধরণের পদক্ষেপ আজ গোটা বিশ্বের কাছেই সম্প্রীতির এক অন্য বার্তা ছড়িয়ে দিল।


পাকিস্তানের এই ছাত্র সংগঠনটি নিজেদের প্রগতিশীল বামপন্থী বলেই পরিচয় দেয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে এক ছাত্র জানিয়েছেন তাঁদের উদ্দেশ্য সে দেশে ভিন্ন ধর্ম ও জাতির শান্তি পূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতার বিশ্বাসকে প্রতিস্থাপন করে সামনে দিকে এগিয়ে চলা।