ওয়েব ডেস্ক: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ধর্ষণ নয়। বম্বে হাইকোর্টের ব্যতিক্রমী এই রায়ের প্রেক্ষিতে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেল পলতার অন্তঃসত্ত্বা মহিলার মামলা। যদিও তাঁর গর্ভপাতের আবেদনে ইতিমধ্যেই সায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ভ্রুণ সংরক্ষণের নির্দেশও দিয়েছে আদালত।


COMMERCIAL BREAK
SCROLL TO CONTINUE READING

শুধু বম্বে হাইকোর্টই নয়। দুবছর আগে ঠিক এমনই রায় শোনায় সুপ্রিম কোর্টও। দেশের একাধিক আদালতে এখনও এই মর্মে বহু মামলা চলছে। যার সাম্প্রতিক উদাহরণ কলকাতা হাইকোর্টে উত্তর চব্বিশ পরগনার পলতার অন্তঃসত্ত্বার মামলা।সুপ্রিম কোর্টের পর বম্বে হাইকোর্টের রায়ে কিছুটা হলেও ধাক্কা খেলেন ওই মহিলা। মহিলার গর্ভপাতের আবেদন মঞ্জুর করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। তাঁর ভ্রুণ সংরক্ষণেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। প্রয়োজনে ভ্রুণের ডিএনএ পরীক্ষার কথাও বলেন বিচারপতি।


আরও পড়ুন বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস ধর্ষণ নয়, ঐতিহাসিক রায় দিল বম্বে হাইকোর্ট


বায়ুসেনায় কর্মরত এক ব্যক্তির সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ হয় পলতার ওই মহিলার। দুজনের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে। ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে এখন আঠারো সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা ওই মহিলা। কিন্তু সন্তানের দায় নিতে অস্বীকার করেন ওই বায়ুসেনা কর্মী। প্রথমে নিম্ন আদালত, পরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। মহিলার সঙ্গে পরিচিতির কথা মানলেও সন্তানের পিতৃত্বের দায় নিতে অস্বীকার করেন তিনি। মহিলার বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতারণার অভিযোগে সরব হন ওই বায়ুসেনা কর্মী।


আদালতে তাঁর আইনজীবী বলেন, ফেসবুকে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলে আলাপ জমান ওই মহিলা। তারপর তাঁর মক্কেলের ভালমানুষীর সুযোগ নিয়ে আসল পরিচয় গোপন করে প্রতারণা করেন।


আরও পড়ুন রোজ কিশমিশ খেলে কী হবে জানেন?


এই মামলায় দুপক্ষের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই ভ্রণ সংরক্ষণ ও পরীক্ষার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। পরীক্ষায় বায়ুসেনা কর্মীর পিতৃত্ব প্রমাণিত হলে মামলা কোন দিকে গড়ায়, এখন সেটাই দেখার।