লোডশেডিং অন্ধকার, তারপরও বিদ্যুতের বিল ৫৪ লক্ষ, কী করবেন শাহিদ!

শ্রদ্ধা কাপুর রয়েছেন শাহিদের সঙ্গে

Updated: Aug 10, 2018, 03:53 PM IST
লোডশেডিং অন্ধকার, তারপরও বিদ্যুতের বিল ৫৪ লক্ষ, কী করবেন শাহিদ!

নিজস্ব প্রতিবেদন : অবশেষে মুক্তি পেল ‘বাত্তি গুল মিটার চালু’-র ট্রেলর। ট্রেলরের প্রথম ঝলকে আপনি শাহিদ কাপুর এবং শ্রদ্ধা কাপুরের প্রেম ছাড়া অন্য কিছু দেখতে পাবেন না। কিন্তু, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আপনার চোখ খুলে দেবে এই সিনেমার ট্রেলর।

সিনেমার প্লটে উত্তর ভারতের একটি গ্রামের ছবি তুলে আনা হয়েছে। যেখানকার মানুষ লোডশেডিংকে নিজেদের ভবিতব্য বলেই ধরে নেন। এমন কোনও দিন নেই, যেদিন লোডশেডিংয়ের তাড়নায় ভুগতে হয়নি তাঁদের। প্রতিদিনের ডাল, ভাত, রুটির মতই লোডশেডিংকেও জীবনের একটি অঙ্গ হিসেবে ধরে নেন তাঁরা। কিন্তু, শাহিদের বন্ধু দিব্যেন্দুর আচমকা মৃত্যু যেন সবকিছু অন্যদিকে মোড় নেয়।

আরও পড়ুন : শাহরুখের মেয়ে সুহানাকে পাওয়ার জন্য 'পাগল' হয়ে উঠেছেন এরা?

জানা যায়, দিনের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিং থাকলেও, দিব্যেন্দু শর্মার কারখানার বিদ্যুতের বিল আসে ৫৪ লক্ষ টাকার। যা দেখে মাথা ঘুরে যায় দিব্যেন্দুর। এত বড় অঙ্কের বিল কীভাবে এল, তা নিয়ে প্রশ্ন করলেও, কোনও সুরাহা মেলেনি। অবশেষে দিব্যেন্দুকে হুমকি দেওয়া হয়, বিদ্যুত বিলের টাকা না মেটালে তাঁর কারখানা কেন বাড়ির লাইনও কেটে দেওয়া হবে। এমনকী, তাঁর নামে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হতে পারে বলে জানানো হয়।

আরও পড়ুন : কোনও ঘোরাঘুরি নয়, মা-কে নিয়ে দেশ ছাড়লেন সলমন খান

মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে, অবশেষে আত্মহত্যা করেনদিব্যেন্দু। এরপরই টনক নড়ে শাহিদ কাপুরের। বিশাল অঙ্কের বিদ্যুত বিলের সমস্যার সুরাহা করতে এবং দিব্যেন্দুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে আইন নিয়ে পড়া শুরু করেন শাহিদ। এরপর আইনজীবীর কালো জব্বা পরে যখন শাহিদ আদালতে হাজির হন, তখন তাঁর পাশে এসে দাঁড়ান আপামর সাধারণ মানুষ। যাঁরা বিদ্যুত বিল মেটাতে মেটাতে নাজেহাল।

দেখুন ট্রেলর...

 

আরও পড়ুন : পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে পাকিস্তানি আতিফের গলায় ভারতীয় গান ডেকে আনল 'সর্বনাশ'!

শাহিদের বিপরীতে আইনজীবী ভূমিকায় দেখা যায় ইয়ামি গৌতমকে। কিন্তু, ইয়ামির এত কম সময়ের স্ক্রিনে হাজিরায় দর্শকরা একটু আধটু অসন্তুষ্ট হতেই পারেন। তবে শেষ পর্যন্ত শাহিদ কী পারবেন, দিব্যেন্দুর মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে সিনেমা মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত।

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close