সইফকে `বেগম বেবো` উপহার করিনার

Update: February 7, 2013 12:55 IST

নিজেকে বেগমে রূপান্তরিত করে স্বামী সইফ আলি খানকে উপহার দিয়েছেন করিনা। তাই ভ্যালেন্টাইনস ডে তে সইফের কাছ থেকে দারুন কিছু উপহার প্রত্যাশা করছেন বেবো। ভ্যালেন্টাইনস ডে-র এক সপ্তাহ আগে সেকথাই জানালেন উচ্ছ্বসিত করিনা।

আজ সাংবাদিকদের করিনা বলেন, "এই বছর ভ্যালেন্টাইনস ডেতে সইফকে আমাকে ভাল কিছু দিতেই হবে। গত অক্টোবরে আমি ওকে সেরা উপহারটা দিয়েছি। ম্যায়নে আপনে আপকো বেগম বানা লিয়া হ্যায়(আমি নিজেকে বেগমে রূপান্তরিত করেছি)। সইফের আমাকে একটা ভাল উপহার দেওয়া উচিত।" যদিও ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে সইফের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন না করিনা। ব্যস্ত থাকবেন সত্যগ্রহর- শুটিং নিয়ে।

তবে যে শোনা গিয়েছিল করিনা নাকি ধর্মান্তরিত হননি? কিন্তু বেগম বেবোর গলায় এখন একেবারেই উল্টো সুর। তাহলে কি সবটাই নিছক গল্পো?







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।