বলিউডের সঙ্গে `লাম্বি জুদাই` কাটিয়ে পরলোকে চলে গেলেন পাকিস্তানের রেশমা

তাঁর সুরের জাদুতে মেতেছিল সীমান্তের এপার-ওপার। বলিউডের পঞ্জাবি লোক সঙ্গীতের কথা এলেই সবার আগে আসত তাঁর নাম। সেই বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী রেশমার জীবনাবসান হল। দীর্ঘদিন ধরেই এই কণ্ঠশিল্পী গলার ক্যানসারে ভুগছিলেন। মাসখানেক কোমায় ছিলেন। রবিরার লাহোরের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রেশমা।

Updated: Nov 3, 2013, 11:39 AM IST

তাঁর সুরের জাদুতে মেতেছিল সীমান্তের এপার-ওপার। বলিউডের পঞ্জাবি লোক সঙ্গীতের কথা এলেই সবার আগে আসত তাঁর নাম। সেই বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী রেশমার জীবনাবসান হল। দীর্ঘদিন ধরেই এই কণ্ঠশিল্পী গলার ক্যানসারে ভুগছিলেন।  মাসখানেক কোমায় ছিলেন। রবিরার লাহোরের এক হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রেশমা।
বিষাদের এই সুরেই যেন ভাসলেন উপমহাদেশের সঙ্গীত প্রেমিরা। রবিবার সকালে দুসংবাদটা এলো লাহোর থেকে। প্রয়াত হয়েছেন সুরের ঢেউয়ে সীমান্তের বেড়াজাল ভেঙে দেওয়া কিংবদন্তী শিল্পী রেশমা।
 
রেশমার জন্ম রাজস্থানের বিকানিরের এক বানজারা পরিবারে। দেশ ভাগের পরই তাঁরা করাচিতে পাড়ি দেন। রেশমার যখন ১২ বছর, তখন শাহবাজ কলন্দরের দরগার বাইরে তাঁকে গান গাইতে শোনেন পাকিস্তানের এক টেলিভিশন রেডিও প্রোডিওসার। তিনিই রেডিওতে লাল মেরি গানটির রেকর্ডিং-এর ব্যবস্থা করে দেন। এরপর সেই কন্ঠ আর থামেনি। রেশমার গানে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশারফের প্রিয় শিল্পীদের তালিকায় ওপরের দিকেই ছিল রেশমার নাম। এভাবেই দুই দেশের সঙ্গীত প্রেমীদের রুচিকে যেন কোথায় মিলিয়ে দিয়েছিল রেশমার কন্ঠস্বর। সেই জনপ্রিয়তাকেই চূড়ান্ত শিখরে নিয়ে গিয়েছিল ১৯৮৩ সালে সুভাষ ঘাইয়ের হিরো ছবিতে গাওয়া গান লমবি জুদাই। তাঁর গাওয়া 'নেহি লাগতা দিল মেরা', 'দমা দম মস্তি কালান্দর', 'হায় ও রব্বা'র মতো গান শ্রোতাদের মন জয় করে নিয়েছিল৷ গান শুনে মুগ্ধ হয়ে ডেকে পাঠিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। বলিউডে শেষবার তাঁর গলা ব্যবহার করা হয়েছিল ২০০৪ সালে `উও তেরা নাম থা` ছবিতে।
 

Tags:

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close