অমিতের সভা নিয়ে দিলীপ-কৈলাস দূরত্ব প্রকাশ্যে?

বিজেপির রথযাত্রা আপাতত স্থগিত করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Updated: Dec 6, 2018, 10:28 PM IST
অমিতের সভা নিয়ে দিলীপ-কৈলাস দূরত্ব প্রকাশ্যে?

অঞ্জন রায় 

হাইকোর্টের রায়ে ঝুলে গিয়েছে বিজেপির রথযাত্রার ভাগ্য। তবে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তার জেরে শুক্রবার কোচবিহারে অমিত শাহের সভা ঘিরে দেখা দিল চূড়ান্ত অনিশ্চয়তা।  

বিজেপির রথযাত্রা আপাতত স্থগিত করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। দিলীপ ঘোষ ইঙ্গিত দিয়েছেন, প্রস্তুতি সারা। রথযাত্রা হবে। সভা করতে আসছে অমিত শাহ আসছেন। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন,''শুক্রবার অমিত শাহের সভা হবেই। সভা নিয়ে স্থানীয় থানার অনুমতি নিয়েছি। মদনমোহন মন্দিরে পুজোও দেব। যে যে সভা ঠিক হয়েছে, সেগুলি করা হবে। রথযাত্রা হবে না কিন্তু সভা হবেই''। একইসঙ্গে আরও মনে করিয়ে দেন, রথযাত্রার জন্য দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। ডিভিশন বেঞ্চের শুনানির জন্য অপেক্ষা করবে বিজেপি। রথযাত্রার অনুমতি না দিলে অমিত শাহের সভা হবেই। আদালতের নির্দেশ মেনে যাত্রা স্থগিত করা হবে। কিন্তু সভা হবে কীভাবে? দিলীপের জবাব, সভা নিয়ে তো মামলা চলছে না। আদালত রথযাত্রা নিয়ে রায় দিয়েছে। সব জায়গাতেই সভা হবে। 
          
দিলীপ যখন সভা হওয়ার কথা বলছেন তখন আবার উলটোসুর কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক তথা জাতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয়র গলায়। তাঁর কথায়,''সভা বা রথযাত্রা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেব সকালে হাইকোর্টের রায় আসার পর''। অর্থাত্ এখনও অনিশ্চিত সভা। হাইকোর্টের রায় আসার পরই সভা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বিজেপি। কিন্তু দিলীপ জোর দিয়ে দাবি করেছেন, সভা হচ্ছেই। দলের দুই নেতার এহেন দাবি ঘিরে দ্বন্দ্বে নেতা-কর্মীরা। প্রশ্ন উঠছে, সভাপতি ও কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকের কথায় কেন অসঙ্গতি? দুজনের মধ্যে কি কথা হয় না? রাজ্য বিজেপির অন্দরের খবর, কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে মুকুলের সুসম্পর্ক।

হাইকোর্টের রায় নিয়ে আরও একবার রাজ্য বিজেপির অন্দরে 'অমিল' ছবিটা উঠে এল বলে মত অনেকের। বলে রাখি, দিন কয়েক আগে বিধানসভায় ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র করার জন্য সংশোধনী বিল এনেছিল সরকারপক্ষ। তার প্রতিবাদে কক্ষত্যাগ করেছিলেন বাম-কংগ্রেস বিধায়করা। কিন্তু সভাকক্ষে থেকে ভোট দেন দিলীপ ঘোষ। সে কারণে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছ থেকে বকুনিও জোটে। 

আরও পড়ুন- নন্দীগ্রামে সিআইডি তদন্তের কী হল? মমতার সামনে প্রশ্ন শুভেন্দুর

By continuing to use the site, you agree to the use of cookies. You can find out more by clicking this link

Close