ডানলপকে গুটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ হাইকোর্টের

Update: January 31, 2013 20:03 IST

ডানলপ সংস্থা গুটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সংস্থার সব সম্পত্তি এবং সব নথির দখল নিতে সরকারি লিকুইডেটরদের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সঞ্জীব ব্যানার্জি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত ডানলপ ইন্ডিয়ার বকেয়ার পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা। সংস্থার সব সম্পত্তির দখল নিয়ে এবং তা বিক্রি করে বকেয়া মেটানোর আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা করে একাধিক সংস্থা। বকেয়া মেটানোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে ডানলপের তরফে আদালতে সওয়াল করেন ওই সংস্থার আইনজীবী। কিন্তু সেই যুক্তি মানতে রাজি হননি বিচারপতি।

ডানলপের কাছে রাজ্য সরকারের পাওনা প্রায় ৫০০ কোটি টাকা। রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল অনিন্দ্য মিত্র জানান, ডানলপ খোলার লক্ষ্যে আদালতের যে কোনও নির্দেশকে স্বাগত জানাবে রাজ্য। ২০০৫ সাল থেকে ডানলপ সংস্থার রুইয়া গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে মহাকরণে শ্রমমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসু জানান, আদালতের নির্দেশ হাতে পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাববে রাজ্য সরকার।

Post Your Comment

Total Comments:1

মাননীয় শ্রমমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গবাসীর পাঁচশত কোটি টাকা। পাওনা। হিসেবটা জটিল। অর্থ মন্ত্রীকে ভাবতে দিন। রাস্তায় স্লোগান দিন যা খুশী তাই। জনগণের স্লোগান ``টাকা ফেরত চায় রাজ্যবাসী``।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।