ফের অগ্নিকাণ্ড এসএসকেএমে

Update: June 13, 2012 13:48 IST

আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেল এসএসকেএমের বিসি রায় ভবনের চারতলার অ্যানাটমি বিভাগ। বুধবার সকালে আগুন লেগে যায় ওই বিভাগের পরীক্ষাগারে। দমকলের সাতটি ইঞ্জিনের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। 

বুধবার সকাল নটা দশ নাগাদ এসএসকেএমের বিসিরায় ভবনের চারতলা থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে রয়েছে অ্যানাটমি বিভাগের পরীক্ষাগার।  দমকলের সাতটি ইঞ্জিন গিয়ে প্রচেষ্টায় নটা পঞ্চাশ নাগাদ প্রাথমিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে অবশ্য রাসায়নিক নিষ্ক্রমণে নষ্ট হয়ে গেছে চারতলার পরীক্ষাগারে পাখা, কম্পিউটার ইত্যাদি।
 
এই বাড়িরই একতলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর দেহ সংরক্ষিত রয়েছে। ছাত্রছাত্রী বা গবেষকদেরও এই ভবনে ঢোকা নিয়ন্ত্রিত। অথচ হাসপাতালেক এই গুরুত্বপূর্ণ ভবনে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা যথাযথ ছিল না বলে দমকল সূ্ত্রে খবর। কারণ, অগ্নিনির্বাপণের জন্য রাখা যন্ত্রগুলি আগুন নেভানোর কাজে আসেনি। সেমিনার রুমের শীততাপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্রতে শর্ট সার্কিটের জেরেই এই অগ্নিকাণ্ড বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান।  
 
আগুনের ছবি তুলতে গিয়ে পুলিস এবং ইএফআর কর্মীর হাতে আক্রান্ত হন চব্বিশ ঘণ্টা সহ অন্য সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা। এই ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ইএফআর কর্মী এবং ভবানীপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর কৃষ্ণপদ মণ্ডল সাংবাদিকদের শারীরিক নিগ্রহ করেন। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যস্থতায় অ্যানাটমি বিভাগে ঢুকতে পারেন সাংবাদিকরা।
 







Post Your Comment

Total Comments:1

No comments

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।