বিধায়ক হেনস্থার ঘটনায় সরব বাম শরিকরা

বিধানসভার মধ্যে মহিলা বাম বিধায়ক দেবলীনা হেমব্রমের নিগ্রহ ও হেনস্থার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠল রাজনৈতিক মহলে। বামফ্রন্টের তিন শরিক আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও সিপিআই-এই ইস্যুতে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। তাঁদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রাজ্য যে আর নিরাপদ নয়, তা মানুষ বুঝতে পারছেন। এর প্রভাব আগামী নির্বাচনে পড়বে বলে মনে করছে বাম শরিকরা।

Updated: Dec 12, 2012, 09:58 PM IST

বিধানসভার মধ্যে মহিলা বাম বিধায়ক দেবলীনা হেমব্রমের নিগ্রহ ও হেনস্থার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠল রাজনৈতিক মহলে। বামফ্রন্টের তিন শরিক আরএসপি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও সিপিআই-এই ইস্যুতে নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। তাঁদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রাজ্য যে আর নিরাপদ নয়, তা মানুষ বুঝতে পারছেন। এর প্রভাব আগামী নির্বাচনে পড়বে বলে মনে করছে বাম শরিকরা।
মা মাটি মানুষের শ্লোগান দিয়ে যে সরকারের ক্ষমতায় আসা, যে সরকারের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা, যে সরকার জঙ্গলমহলকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়, সেই সরকারের একাধিক মন্ত্রীর হাতে বিধানসভায় জঙ্গলমহলের এক বিধায়কের নিগ্রহ লজ্জাজনক। মন্তব্য বাম শরিক সিপিআই নেতা মঞ্জু কুমার মজুমদারের। আর এক শরিক আরএসপির নেতা মনোজ ভট্টাচার্য এই ঘটনায় নিন্দার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেননা। জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য নেত্রীই শুধু নন, দেবলীনা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রীও। তাঁকে বিধানসভার মধ্যে যেভাবে শারিরীক নিগ্রহ এমনকী শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করা হয়েছে, সর্বস্তরে তার প্রতিবাদ হওয়া দরকার বলে মনে করেন তিনি।
 
ফরওয়ার্ড ব্লক রাজ্য সম্পাদক তথা বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অশোক ঘোষের মতে, মানুষ ইতিমধ্যেই বুঝতে শুরু করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে রাজ্য নিরাপদ নয়। দেবলীনা হেমব্রম কান্ডের প্রভাব আগামি নির্বাচনগুলিতেও পড়বে বলে মনে করেন তিনি।