মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে টাস্ক ফোর্স প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী

Update: July 17, 2012 20:56 IST

মহাকরণে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে গড়া টাস্ক ফোর্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের কড়া নজরদারিতে সবজির দাম ৫০ শতাংশ কমানো গেছে। কিন্তু চাপের মুখে ফড়েরা না কেনায় সবজির দাম না পেয়ে রাজ্যের নানা জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কৃষকরা। সেই ব্যাপারে আশু কোনও সমাধান অবশ্য এদিনের বৈঠকে উঠে আসেনি।

মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গত ২ জুলাই মহাকরণে ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের ১২টি সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সব্জির দাম নিয়ন্ত্রণে টাস্ক ফোর্স গঠন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। টাস্ক ফোর্সের কাজ কতদূর এগিয়েছে, তার খোঁজখবর নিতে মঙ্গলবার মহাকরণে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। টাস্ক ফোর্সের সদস্যরা ছাড়াও বৈঠকে স্বরাষ্ট্রসচিব, মুখ্যসচিব, পুলিস কর্তারা ছাড়াও ছিলেন কৃষি বিপণন মন্ত্রী অরূপ রায়। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন সরকার কড়া ব্যবস্থা নেওয়ায় সবজির দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা গেছে। ফড়েদের উপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গেই ফরোয়ার্ড ট্রেডিং বন্ধ করতে কড়া ব্যবস্থা নিতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিসকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

সবজির দাম কিছুটা কমলেও আলুর দাম যে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি তা মেনে নিয়েও দাম কমাতে আলুব্যবসায়ীদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।