বাবার খোঁজ আর নেয়নি ববি আংকল, বিস্ফোরক মুন্নাকন্যা

Update: March 9, 2013 17:32 IST

তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে রাগ উগড়ে দিলেন মুন্নার মেয়ে সাবাতাজা। দলের নির্দেশেই সেদিন ঘটনাস্থলে বাবা গিয়েছিল বলে,  মুন্নাকন্যা বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। ঘটনার পর নিজেদের বাঁচাতে আর কোনও তৃণমূল নেতা বাবার খোঁজ নেয়নি বলেও সাবাতাজা আক্ষেপ করেন। অথচ একসময় তৃণমূলের ওই নেতারাই মুন্নার সাহায্য নিত বলে জানালেন সাবাতাজা। অভিযুক্ত ইকবাল ওরফে মুন্না সঙ্গে রাজ্যের মন্ত্রী ববি হাকিমের ঘনিষ্ঠতা যে যথেষ্ট ছিল সে কথাও মেনে নিয়ে মুন্না কন্যা বললেন, বাবার খোঁজ আর নেয়নি ববি আংকল।

এর আগে আলিপুর কোর্ট চত্বরে দাঁড়িয়ে মুন্না কন্যা অভিযোগ করেন, ফাঁসানো হয়েছে মুন্নাকে। এজন্য দায়ী সংবাদমাধ্যম। বাবাকে নির্দোষ প্রমাণ করার চেষ্টায় সংবাদমাধ্যমের কাঁধে দোষ চাপানোর চেষ্টা  করলেন সাবাতাজ। কিন্তু তিনি নীরব কেন মুন্নার নিজের দল প্রসঙ্গে? বাবাকে বাঁচাতে কেন আরেক তৃণমূল নেতার নাম টেনে আনতে হচ্ছে তাঁকে?

সাবাতেজের এমন দাবির পরই অবশ্য জানা গেল ১৪ দিনের সিআইডি হেফাজত হয়েছে তাঁর বাবা মুন্নার। আজ বিকালে মুন্নাকে সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আলিপুর আদালত। ২০ মার্চ অবধি মুন্নাকে সিআইডি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। এদিনই পুলিস খুনে জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের এই বরো চেয়ারম্যানকে আদালতে পেশ করা হয়। জামিনের আর্জি জানিয়েছিল মুন্না।






Post Your Comment

Total Comments:2

JOTOKHUN PROYOJON TATTOKHUN ADOR PROYOJON FURIA GELE CHURE FELEDEN- ETAI MAMATAR NIYOM. MAMATA NA BOLLE BOBBY KHOG NEBE ? BOBBYER BUKER PATA ACHHE?

Didir chtrochaya jao ..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।