জিঙ্গল বেল- জিঙ্গল বেল, জিঙ্গল অল দ্য ওয়ে...

Update: December 24, 2012 23:19 IST

আজ বড়দিন। আর বড়দিনের আগের রাতে আলোর মালায় সেজে উঠেছিল গোটা কলকাতা। সন্ধে থেকেই রাস্তার দখল নেয় উত্‍সব মুখর জনতা। সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল সহ বিভিন্ন গির্জায় চলে প্রার্থনা। প্রার্থনায় অংশ নেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী। আলোর রোশনাই, মানুষের ঢল, সব মিলিয়ে কলকাতায় ক্রিসমাস ইভ ছিল জমজমাট।

সন্ধে থেকেই সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল সহ বিভিন্ন গির্জায় শুরু হয় প্রার্থনা। রাত বারোটার কিছু আগে সেন্ট পলস ক্যাথিড্রাল চার্চে শুরু হয় বিশেষ প্রার্থনা। অংশ নেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী। প্রার্থনার মধ্য দিয়েই স্বাগত জানানো হয় বড়দিনকে। রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বড়দিনের সময় তাপমাত্রার পারদ এতটা কম অনেক বছর দেখেনি কলকাতা। কিন্তু কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যেই শহরের রাস্তায় উত্সবের আমেজ।

আলো ঝলমলে বোব্যারাক। বড়দিনকে স্বাগত জানাতে ছিল বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনও।

মায়া ক্যালেন্ডারের ভবিষ্যতবাণী ছিল, একুশে ডিসেম্বর ধ্বংস হবে পৃথিবী। সেসব কিছুই ঘটেনি। পৃথিবী ঘুরছে তার নিজস্ব গতিতেই। ধ্বংসের আশঙ্কা থেকে মুক্ত মানুষ তাই সামিল উত্‍সবে।









Post Your Comment

Total Comments:6

Merry Christmas to all the friends who works for us in `24 Ghanta`.

Merry Christmas to all the friends who works for us in `24 Ghanta`.

In your news channel on 25th December,in School in katwa is open on 25th December story the Christmas day is stated as ``International Holiday``. Please let us know - where did you find this information of Christmas as International Holiday ?

In your news channel on 25th December,in School in katwa is open on 25th December story the Christmas day is stated as ``International Holiday``. Please let us know - where did you find this information?

MAMATA BANERJEE SANTA CLOGER THEKE TAKA CHAILE PARTEN.

Merry Christmas !!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।