উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী-রা

Update: April 28, 2012 21:42 IST

দাশপুর এবং বাঁকুড়া সদর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রয়াত দুই নেতার স্ত্রীকে প্রার্থী করল তৃণমূল কংগ্রেস। বাঁকুড়া সদর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন মিনতি মিশ্র। দাশপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন মমতা ভুঁইঞা। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, বিতর্ক এড়াতেই, বিভিন্ন ইস্যুতে কোণঠাসা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

পার্ক স্ট্রিট থেকে ব্যঙ্গচিত্র কাণ্ড-ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্ণ না-হতেই একের পর এক ইস্যুতে কোণঠাসা শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সঙ্গে রয়েছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কাঁটা। সম্ভবত সেকারণেই দাশপুর এবং বাঁকুড়া সদর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়েই প্রার্থী করা হল প্রয়াত দুই নেতার স্ত্রীকে। দাশপুর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক অজিত ভুঁইঞা এবং বাঁকুড়া সদর কেন্দ্রের বিধায়ক কাশিনাথ মিশ্রর মৃত্যুর পর ওই আসনদুটি শূন্য হয়। ১২ জুন ওই দুটি আসনে উপনির্বাচন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।