খরচ বাড়ছে, ব্রহ্মপুত্রের উপর রেলব্রিজের কাজ আজও চলছে

Update: April 29, 2012 09:18 IST

বর্ষায় প্রতিবারই দিশা পাল্টে ভয়ঙ্কর আকার নেয় ব্রহ্মপুত্র। বন্ধ হয়ে যায় পূর্ব অসমের উত্তর ও দক্ষিণ প্রান্তের যোগাযোগ ব্যবস্থা। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য ১৯৯৭ সালে বহ্মপুত্র নদের ওপর ৪.৯৪ কিলোমিটার অংশে রেল তথা রোডব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও এখনও শেষ হয়নি প্রকল্পের কাজ।

প্রকল্পটি রুপায়িত হলে শুধু উত্তর ও দক্ষিণ অসমই নয় লাভবান হবে অরুণাচল প্রদেশও। ব্রিজটি তৈরি হলে উন্নত হবে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থাও। প্রকল্পের চিফ ইঞ্জিনিয়ার জানালেন, ব্রিজটি তৈরি হয়ে গেলে সরাসরি যুক্ত হবে ৫২ ও ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক। ব্যবসা-বাণিজ্যেরও সুবিধে হবে। উত্তর অসমের মানুষ পাবেন উন্নত মানের পরিকাঠামো। প্রকল্প রূপায়িত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হতো যার সুফল পেত সেনাবাহিনীও। সেনা তত্পরতার কাজে সহায়ক হত উন্নত পরিকাঠামো।

২০০৭-এ এটিকে জাতীয় প্রকল্প হিসেবে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু নানা কারণে প্রকল্পটি শেষ হয়নি আজও। সময়মতো কাজ শেষ না হওয়ায় বেড়ে গেছে প্রকল্পের খরচও। নর্থ ফ্রন্টিয়ার রেলওয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রকল্পটি শুরুর বছরের প্রস্তাবিত খরচ যা ছিল এই কয়েক বছরে বছরে তা বেশ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।  ২০০০-২০০১ সালে খরচের পরিমান ছিল ০.২৬ কোটি টাকা। পরের বছরেই অর্থাত্‍ ২০০১-২০০২ তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৯.১১ কোটি টাকায়। এভাবেই বাড়তে বাড়তে বর্তমানে এই প্রকল্পের আনুমানিক খরচ ধার্য হয়েছে ৩২৩০.০২ কোটি টাকা। বৃষ্টির জন্য বছরে কাজ হয় মাত্র ৪ মাস। তা সত্ত্বেও ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে সাউথ ব্যাঙ্ক রেললিঙ্ক। শুরু হয়েছে নর্থ ব্যাঙ্ক রেললিঙ্কের কাজও। ২০১৫-র মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা বলা হলেও আদৌ তা হবে কী না তা নিয়ে ইতিমধ্যেই সন্দিহান সংশ্লিষ্ট মহল।

Post Your Comment

Total Comments:1

Can`t believe with the amount only 0.26 crores for the cost of construction of this bridge at the beginning...it means Rs26lac only.How can a bridge be built with this small amount?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।