অসম হিংসায় ভুয়ো এমএমএসের উৎস পাকিস্তান: স্বরাষ্ট্র সচিব

Update: August 18, 2012 23:03 IST

অসমের হিংসার জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা তাড়াহুড়ো করে ঘরে ফিরছেন। বেঙ্গালুরু থেকেই প্রায় ৩০ হাজার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দারা পালিয়েছেন। নানা ধরনের গুজবে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন তাঁরা। মধ্য ও দক্ষিণ ভারতে কিছু বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। আর এই হিংসা, বিদ্বেষে উস্কানি দিচ্ছে বিভিন্ন ভুয়ো এমএমএস। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আর কে সিং জানিয়েছেন এগুলির উত্‍স পাকিস্তান।

মায়ানমারে তিন মাস আগের সংঘর্ষের ছবি অসমের বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়, ভূমিকম্পে মৃত্যু ও ধ্বংসের ছবিকেও অসমের হিংসার নমুনা বলে তুলে ধরা হচ্ছে ইন্টারনেটে। ভুয়ো এমএমএস ছড়ানো হচ্ছে, এমন ৭৪টি ওয়েবসাইটকে ইতিমধ্যেই ব্লক করা হয়েছে। আরও ৩৪টি সাইট এই তালিকায় রয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব।

ভুয়ো এমএমএস-এর উত্‍‍স পাকিস্তান হলেও কোনও সন্ত্রাসবাদী সংগঠন এর সঙ্গে জড়িত কিনা তা এখনও জানা যায়নি। বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে বিষয়টি ইসলামাবাদের নজরে আনা হবে বলে জানিয়েছেন আর কে সিং।

অসমের কোকরাঝাড়, ধুবড়ি, চিরাং জেলায় একাধিক হিংসার ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে সিবি আই। হিংসায় জড়িতদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারলে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।