রামলীলা ময়দান থেকে রাজনৈতিক বিকল্প গড়ার ডাক কারাটের

Update: March 19, 2013 08:57 IST

ডিএমকে সমর্থন প্রত্যাহার করায় লোকসভায় সরকারের গরিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক বিকল্প গড়তে দেশজুড়ে বামপন্থী দলগুলিকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানালেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট। আসলে কংগ্রেস এবং বিজেপির নীতি একই বলে মন্তব্য করেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক।  ফের সঙ্কটে ইউপিএ সরকার।

ইতিমধ্যেই সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে ডিএমকে। ফলে কংগ্রেসের কাছে সংখ্যাধিক্য প্রমাণ করা এখন কার্যত চ্যালেঞ্জের মুখে। এরমধ্যেই আসরে নেমেছে বিজেপিও । এই পরিস্থিতিতেই দেশজুড়ে রাজনৈতিক বিকল্প গড়তে বামপন্থীদের শক্তিশালী করার আহ্বান জানালেন সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট । দিল্লির রামলীলা ময়দানে সিপিআইএমের চারটি জাঠার কেন্দ্রীয় সমাবেশে এই আহ্বান জানান তিনি।

কলকাতা, কন্যাকুমারী, অমৃতসর, মুম্বই। মূল্যবৃদ্ধি , খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য-বাসস্থান ও কর্মসংস্থানের অধিকার সুনিশ্চিত করার দাবিতে দেশের চারটি প্রান্ত থেকে চারটি জাঠা বিভিন্ন শহর, গ্রাম ঘুরে মিলিত হয় দিল্লির রামলীলা ময়দানে। সেখানে কেন্দ্রীয় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমের শীর্ষ নেতৃত্ব। সমাবেশে কংগ্রেস ও বিজেপির কড়া সমালোচনা করেন সিপিআইএম সাধারণ সম্পাদক।

গুজরাটের সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদীকেও কাঠগড়ায় দাঁড় করান সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাট।

গতবছরের সেপ্টেম্বরে কেন্দ্র থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ডিএমকের সমর্থন প্রত্যাহারে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছে । এরমধ্যেই বাম শক্তিকে মজবুত করার আহ্বান যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।