রাহুলকে জামাই চেয়ে অনশন যন্তরমন্তরে

Update: July 12, 2012 19:35 IST

মিডিয়ায় তাঁকে দেশের `মোস্ট এলিজেবল্ ব্যাচেলার` বলা হয় প্রায়শই। কিন্তু তা বলে বিয়ের দাবিতে অনশন! কংগ্রেসের কুলপ্রদীপ রাহুল গান্ধীর জীবনে এমন অভিজ্ঞতা এই প্রথম।

গত ৯ জুলাই থেকে দিল্লির যন্তরমন্তরের সামনে অনশনে বসেছেন জয়পুরের ওম শান্তি শর্মা। মরুরাজ্যের এই বাসিন্দার দাবি একটাই- তার নিজের মেয়ের সাথে ভারতের `ইয়ুথ আইকন` রাহুল গান্ধীর বিয়ে দিতে হবে। আর যুবরাজকে নজরানা? সে তো তুলনাহীন। মেয়ের বিয়েতে `পণ` হিসেবে নগদ ১৫ কোটি টাকার পাশাপাশি নিজের স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পত্তি দিতে চান শ্রীমতি শর্মা। তবে মুখে কোনও স্লোগান তোলা বা জোরগলায় দাবি পেশের চেষ্টা করছেন না তিনি। হলুদ শাড়ি পড়ে চুপচাপই বসে রয়েছেন যন্তরমন্তর প্রাঙ্গণে। শুধু মৃদু গলায় জানিয়ে চলেছেন, তাঁর মেয়ে নেহরু-গান্ধী পরিবারের পঞ্চম প্রজন্মের সদস্যকে ছাড়া আর কাউকেই বিয়ে করবে না।

কাহিনী এখানেই শেষ নয়। অপর এক বিক্ষোভকারী সন্তোষ মুরাত সিং এদিন যন্তরমন্তরে জানান, পরিবারের লোকজনেরা এর আগে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেছিল,অথচ প্রচারের আলোয় তিনি নেই, গুরুত্ব পাচ্ছেন মিসেস শর্মার মেয়েই। আর দিল্লী পুলিশ কী বলছে? তারা এক্ষেত্রে সরাসরি মিসেস শর্মাকেই মানসিক ভারসাম্যহীন বলে অভিযুক্ত করে, তাদের বক্তব্য, কোনো অনুমতি ছাড়াই তিনি এখানে প্রতিবাদ করেছেন। সব মিলিয়ে আন্না হাজারে আর জন লোকপালের স্মৃতি বিজড়িত যন্তরমন্তর এখন জমজমাট `রাহুল-নাটকে`।

Post Your Comment

Total Comments:1

Unnecessary news coverage just for highlighting a failure youth, Rahul who has nothing but his hoary tradition.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।