কীভাবে অপহরণ?

উন্নয়নের কথা বলতেই মাঝিপাড়ায় গেছিলেন জেলাশাসক অ্যালেক্স পল মেনন। সেখান থেকেই অপহৃত হন তরুণ, বেপরোয়া এই আইএএস অফিসার। অপহরণের পিছনে রবিবার নিজেদের দায় স্বীকার করেছে মাওবাদীরা। কিন্তু কীভাবে ঘটল অপহরণকাণ্ড?  

Updated: Apr 23, 2012, 12:34 PM IST

উন্নয়নের কথা বলতেই মাঝিপাড়ায় গেছিলেন জেলাশাসক অ্যালেক্স পল মেনন। সেখান থেকেই অপহৃত হন তরুণ, বেপরোয়া এই আইএএস অফিসার। অপহরণের পিছনে রবিবার নিজেদের দায় স্বীকার করেছে মাওবাদীরা। কিন্তু কীভাবে ঘটল অপহরণকাণ্ড?  
অ্যালেক্স পল মেনন। দুহাজার ছয় ব্যাচের আইএএস। জেলাশাসকের চেয়ারে থেকে  সরকারের উন্নয়নের কর্মসূচি পৌঁছে দিতে চেয়েছিলেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে। সেই লক্ষ্যেই শনিবার গাদিরাস হয়ে বরিসেট্টিতে হাজির হয়েছিলেন তিনি। গ্রামবাসীদের শুনিয়েছিলেন উন্নয়নের কথা। বরিসেট্টিতেই গত একবছরে সব চেয়ে বেশি মাওবাদী-যৌথবাহিনী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কারণ, বরিসেট্টি থেকে যখনই জগরগুন্ডার দিকে এগোতে চেয়েছে যৌথবাহিনী, সেই সময় মাওবাদীদের তরফ থেকে প্রতিরোধ এসেছে। বরিসেট্টি থেকেই অপহরণকারীদের টার্গেট হন জেলাশাসক। সেখানেও মাওবাদী ভয় দূরে সরিয়ে রেখে উন্নয়নের কথা বলেন তিনি। বলেন, মাঝিপাড়াকে তিনি আদর্শ গ্রাম হিসেবে গড়তে চান। আর সেখানেই ঘটে সেই অপহরণের ঘটনা।
 
জেলাশাসক অপহরণকাণ্ডে ২ জন মাওবাদী নেতার নাম উঠে এসেছে। রামান্না এবং ভীমা, এই দুজন মাওবাদী নেতার নেতৃত্বেই এই অপহরণকাণ্ড বলে জানা গেছে। রামান্না মাওবাদীদের সাউদার্ন রিজিওনাল কমিটির সচিব। ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল ছত্তিশগড়ের টারমেটলার জঙ্গলে  ঘটনায় ৭৬ জন সিআরপি জওয়ানের মৃত্যু হয়। এই নাশকতার পিছনে মাস্টারমাইন্ড ছিল রামান্না। ভীমা, বরিসেট্টির এরিয়া কমান্ডার।
 
শনিবার অপহরণের ঘটনা ঘটলেও রবিবার সারাদিন মাওবাদীরা ঘটনার দায় স্বীকার করেনি। অবশেষে রবিবার সন্ধ্যায় অপহরণকাণ্ডের দায় স্বীকার সহ সরকারের কাছে দাবি পেশ করে মাওবাদীরা।