মায়া-মূর্তির মাথা ভাঙল সপা-সহযোগী সংগঠন

Update: July 26, 2012 15:38 IST

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মিরাটে বিধানসভা ভোটের প্রচারে আসা রাহুল গান্ধীকে কালো পতাকা দেখিয়ে সংবাদ শিরোনামে এসেছিল উত্তরপ্রদেশ নবনির্মাণ সেনা। এবার সমাজবাদী পার্টির এই সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বহুজন সমাজ পার্টির সভানেত্রী মায়াবতীর মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠল। তবে ইউপি নবনির্মাণ সেনার প্রধান অমিত জানি এ বিষয়ে কোনও বিবৃতি দেননি।

বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ রাজধানী লখনউয়ের গোমতীনগর এলাকার অম্বেডকর পার্কে রাখা বহেনজির একটি মার্বেল-মূর্তির উপর চড়াও হয় বাই চড়ে আসা জনা ছয়েক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। অভিযোগ, ইউপি নবনির্মাণ সেনার নামে জয়ধ্বনী দিতে দিতে সঙ্গে আনা হাতুড়ি দিয়ে মূর্তির মাথা ও দু`টি হাত ভেঙে ফেলে তারা। তারপর পার্কের রক্ষীদের সামনে দিয়েই চলে যায়। বিএসপি`র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি স্বামীপ্রসাদ মৌর্যের অভিযোগ, উত্তরপ্রদেশের শাসকদল সমাজবাদী পার্টির প্রত্যক্ষ মদতে এই ঘটনা ঘটেছে। অবিলম্বে দলিত নেত্রীর ক্ষতিগ্রস্ত মূর্তির পুনর্নির্মাণ চেয়েছেন তিনি। দলের আরেক শীর্ষ নেতা বিজয় বাহাদুর সিং পুরো ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছেন। অন্যদিকে লখনউ পুলিসের দাবি, অম্বেডকর পার্কের নিরাপত্তারক্ষীদের বয়ান নিয়ে দুষ্কৃতীদের সন্ধান শুরু হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।