ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে রণক্ষেত্র রঘুনাথগঞ্জ

Update: February 27, 2013 22:54 IST

পুলিস-জনতা খণ্ডযুদ্ধে  রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মুর্শিবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার সায়রাপুর গ্রাম। ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তির কড়া শাস্তির দাবিতে এ দিন দুপুর থেকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন গ্রামবাসীরা। রঘুনাথগঞ্জ-লালগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করা হয়। বেলা একটা থেকে শুরু হওয়া এই অবরোধ বিকেল গড়িয়ে গেলেও ওঠেনি।

পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অবরোধকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জ করা হয়। ক্ষুব্ধ বিক্ষোভকারীরা এরপর একের পর এক গাড়িতে ভাঙচুর চালাতে শুরু করে। অবস্থা সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিস। ঘটনাস্থলে যান জেলা পুলিস সুপার। ২০ জন অবরোধকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রামে টহলদারী চালাচ্ছে র‍্যাফ এবং পুলিসবাহিনী। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সায়রাপুর গ্রামেরই বাসিন্দা ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিস। তবে এরপর থেকে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিসের ওপর প্রভাব খাটানোর  চেষ্টা  চলছে বলে অভিযোগ।

Post Your Comment

Total Comments:1

lalgola msd

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।