টুইট `ভূতে` মন্ত্রী শশী পাক সাংবাদিকের প্রেমিক, ময়দানে নেমে শশী পত্নী সুনন্দা কখনও বিদ্রোহী, কখনও ড্যামেজ কন্ট্রোলার

Last Updated: Thursday, January 16, 2014 - 17:18

ফের বিতর্কে শশী থারুর। এবার তাঁর বিরুদ্ধে পাকিস্তানের এক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ। অভিযোগ করেছেন শশী থারুরের স্ত্রী সুনন্দা পুষ্কর। মেহের তারার নামে ওই মহিলা সাংবাদিক আইএসআই এজেন্ট বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ডিভোর্স চান বলেও জানিয়েছেন সুনন্দা পুষ্কর।

গতকাল সন্ধেয় শশী থারুর মেহের তারার নামক পাক সাংবাদিকের সঙ্গে একাধিক টুইট বিনিময় করেন। এই টুইটগুলি নিয়ে বিতর্ক ছড়ায়। টুইট গুলিতে পাক সাংবাদিক প্রকাশ্যে শশীর প্রতি তাঁর প্রেম প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, শশী জানান তাঁর স্ত্রী এই বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের কথা জেনে গেছেন।

এর পরেই শশী টুইট করে জানান তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা সেগুলিতে পাক সাংবাদিক মেহের তারারের উল্লেখ ছিল। তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শশী থারুর। কিছুদিন তাঁর অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেট করা থাকবে বলেও জানান তিনি।

এরপরই ময়দানে নামেন সুনন্দা। জানান শশীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়নি। স্বামীর অ্যাকাউন্টে লগ ইন করে তিনিই এই মেসেজগুলি পোস্ট করেছেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, মেহের তারার নামে ওই পাক মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে শশী থারুরের সম্পর্কের কথা সকলকে জানিয়ে দেওয়া। আইপিএল-চলাকালীন শশীর সঙ্গে মেহেরের সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ আনেন।

তবে বৃহস্পতিবার আবার নিজের বক্তব্য থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যান সুনন্দা। শশীর অ্যাকাউন্ট থেকে লগ ইন করার কথা অস্বীকার করেন। জানান তাঁর এবং তাঁর স্বামীর টুইটার অ্যাকাউন্ট এখনও ঠিক করে কাজ করছে না। একটি নিউজ চ্যানেলে সুনন্দা জানিয়েছেন মেহের জানেন না শশীর একটা সুখী দাম্পত্য জীবন আছে। শশী থারুরকে একটি অনুষ্ঠানে দেখে মেহেরই তাঁর প্রেমে পড়েন বলে আজ দাবি করেছেন সুনন্দা।

সুনন্দা জানিয়েছেন আজ তিনি ২-৩টে টুইট করেছেন মেহেরের উদ্দেশ্যে। সুনন্দা জানিয়েছেন ``আজ আমি ওই মহিলাকে টুইট করে জানিয়েছি অন্য কোনও মহিলার স্বামীর থেকে তিনি যেন দূরে থাকেন। নীতিগতভাবে এটা অন্যায়।``

সুনন্দা আরও জানিয়েছেন ``শশী একজন সুখী বিবাহিত পুরুষ। শশী বা তাঁর স্ত্রীর, কারোরই পরস্পরকে ছেড়ে যাওয়ার কোনও ইচ্ছাই নেই।``



First Published: Thursday, January 16, 2014 - 13:26


comments powered by Disqus