বিজেপির নতুন সভাপতি নির্বাচিত রাজনাথ সিং

Update: January 22, 2013 22:03 IST

বিজেপির নতুন সভাপতি হলেন রাজনাথ সিং। আজ সকালে দলের সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক বসে। সেখানেই সভাপতি হিসাবে সর্বসম্মতিতে রাজনাথের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়। এরপরই, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর সভাপতি হওয়ার কথা বিজেপির তরফে ঘোষণা করা হয়।

বিজেপি সভাপতি পদের জন্য গতকাল নাটকীয় ভাবে উঠে আসে রাজনাথ সিংয়ের নাম। সভাপতি পদে নিতিন গড়করির দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচিত হওয়া যখন প্রায় পাকা, তখনই বদলে যায় চিত্রনাট্য। গড়করির সংস্থায় গতকাল ফের হানা দেয় আয়কর দফতর। তারপরই ইস্তফা দিতে বাধ্য হন তিনি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য বিজেপি সভাপতি হলেন উত্তরপ্রদেশের ঠাকুর নেতা রাজনাথ সিং।

সঙ্কটকালে সংগঠনকে চাঙ্গা করার অভিজ্ঞতা রয়েছে উত্তরপ্রদেশের রাজপুত পরিবারে জন্মানো এই নেতার। ২০০৪ লোকসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার পর বিজেপি যখন ছন্নছাড়া, সেই কঠিন সময়ে দলের হাল ধরেছিলেন রাজনাথ সিং। দলের পাকা মাথা প্রমোদ মহাজন খুন হয়েছেন। ঝাড়খণ্ডে ক্ষমতা হারিয়েছে বিজেপি। সংগঠন ধুঁকছে। এই পরিস্থিতিতে দলকে খাদের অন্ধকার থেকে বের করে আনতে প্রথমেই হিন্দুত্ব লাইনে জোর দিয়েছিলেন।

বরাবরের আরএসএস ঘনিষ্ঠ নেতার ঘোষণা ছিল, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের দাবির সঙ্গে কোনও আপোস করবে না বিজেপি। দলের পুনর্গঠনের জন্য একেবারে নীচুতলা থেকে সংগঠন মজুবত করার ওপর জোর দিয়েছিলেন রাজনাথ সিং। তার সুফলও পেয়েছিল দল। রাজনাথ সিং দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি উত্তরপ্রদেশের পুরনির্বাচনে ভাল ফল করে।

রাজনাথের জয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে বিজেপি বর্ষীয়ান নেতা লালকৃষ্ণ আদবানি বলেন, "এই মুহূর্তে রাজিনাথ সিংয়ের দায়িত্ব, দুর্নীতির সঙ্গে কোনও আপস না করা। দলের জন্য অনৈতিক ঘটনাকে কোনও অবস্থাতেই মেনে নেওয়া হবে না বলে স্বষ্ট করে দেন আদবানি।

অনন্ত কুমার একদিন যেমন নিতিন গড়করির নেতৃত্বদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন, সেইসঙ্গে তাঁর দাবি গড়করির নেতৃত্বে বিজেপির শক্তি আরও মজবুত হয়েছে।

গতকালই সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন নিতিন গড়করি। আজ তিনি বলেন, "আমি মনে করি আমার বিরুদ্ধে যে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তা ভুল প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আমার সভাপতি থাকাটা ঠিক হবে না।"






Post Your Comment

Total Comments:2

Rajnath Singh is prominent Leader.So BJP Will Developed under Rajnath.

Rajnath Singh is a brilliant leader,BJP will be come in power in 2014 election.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।